শনিবার, ১৮ জুলাই ২০২৬, ০২:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সীমান্ত পেরিয়ে শান্তি ও বন্ধুত্বের সেতুবন্ধন গড়ে তোলে খেলাধুলা: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক পশুর হাটের ইজারাদারের অফিসে গুলি, শ্যুটার বাপ্পিসহ গ্রেফতার ৫ আতিফ আসলামের কনসার্টের টিকিট নিয়ে প্রতারণা, ফেসবুক গ্রুপের অ্যাডমিন গ্রেফতার টেকনাফে কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৭০ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ, চালক পলাতক সৌদিতে মার্কিন ঘাঁটিতে ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত? অস্কারজয়ী প্রথম আইরিশ অভিনেত্রী ব্রেন্ডা ফ্রিকার আর নেই সাগরে লঘুচাপ, সমুদ্রবন্দরে বহাল সতর্কসংকেত মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান পাল্টাপাল্টি হামলা অব্যাহত, উত্তেজনা আরও তীব্র তৃতীয় স্থান নির্ধারণী ম্যাচ কেউ খেলতে চায় না
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

যা নেওয়া হারাম তা দেওয়াও হারাম

অনলাইন ডেস্ক: / ১৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১০ নভেম্বর, ২০২৫

ফিকহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কায়দা বা নীতি হলো কোনো অন্যায় কাজ বা লেনদেন যদি একজনের জন্য নিষিদ্ধ হয়, তবে অপর পক্ষের জন্যও তা নিষিদ্ধ। ইসলাম শুধু অন্যায়কে নিষেধ করেনি, বরং অন্যায়ে সহযোগিতাকেও পাপ হিসেবে গণ্য করেছে।

আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘তোমরা পাপ ও সীমা লঙ্ঘনের কাজে একে অপরকে সহায়তা কোরো না; আল্লাহকে ভয় করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ কঠোর শাস্তিদাতা।’

(আল-কুরআন, ৫:২)

যেমন—সুদ নেওয়া যেমন হারাম, তেমনি সুদ দেওয়াও হারাম।

রাসুলুল্লাহ (সা.) সুদখোর, সুদদাতা, সুদলিপিকার ও সাক্ষীদের ওপর অভিশাপ দিয়েছেন এবং বলেছেন : এরা সবাই সমান।
(মুসলিম, আস-সহিহ : ১৫৯৮)

একইভাবে ঘুষ নেওয়া যেমন গুনাহ, ঘুষ দেওয়াও গুনাহ। মদ, জুয়া বা অন্য কোনো হারাম বস্তুর বিক্রেতা যেমন পাপ করে, ক্রেতাও তাতে অংশীদার হয়।

ইসলাম চায় এমন এক অর্থনীতি ও সমাজ, যেখানে ন্যায়, সততা ও হালাল উপার্জন প্রতিষ্ঠিত হয়।

তাই আমাদের উচিত প্রতিটি লেনদেনে এই নীতি মনে রাখা, যা নেওয়া হারাম, তা দেওয়াও হারাম।
ইসলামী ব্যাংকিং এই নীতিকেই বাস্তবায়নের চেষ্টা করে। এখানে সুদভিত্তিক লেনদেনের পরিবর্তে লাভ-ক্ষতির ভাগাভাগি (মুশারাকা, মুদারাবা) ও পণ্যভিত্তিক বাণিজ্যের (মুরাবাহা, ইজারা) মাধ্যমে ন্যায়সংগত আর্থিক সম্পর্ক গড়ে তোলা হয়। ফলে কেউ অন্যায়ভাবে লাভবান হয় না এবং কেউ ক্ষতির দায় থেকে মুক্তও থাকে না।

ইসলামী অর্থব্যবস্থা এই নীতির মাধ্যমে ন্যায়, ভারসাম্য ও পারস্পরিক দায়বদ্ধতার ভিত্তিতে অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠা করে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর