মঙ্গলবার, ০৩ মার্চ ২০২৬, ০৫:১৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বেলকুচি উপজেলা ছাত্র শিবিরের কমিটি গঠন রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষিকাকে গালিগালাজ করায় হৃদয় গাজির শাস্তির দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ইসরায়েল থেকে নিজ নাগরিকদের সরিয়ে নিতে অক্ষমতা প্রকাশ মার্কিন দূতাবাসের বিদায় বেলাতেও নিজের সুবিধার জন্য আইন পাল্টান ড. ইউনূস বিশ্বকাপে ব্যর্থতার খেসারত, বিশাল জরিমানার মুখে সালমান-বাবররা ইরাকসহ ১৫ দেশে সতর্কতা, মার্কিন নাগরিকদের দ্রুত সরার নির্দেশ জুলাই সংস্কার অধ্যাদেশ ও গণভোট কেনো অবৈধ নয়: হাইকোর্টের রুল দুবাইয়ে ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে নার্গিস ফাকরি জয়পুরহাটে আলুতে যখন দিশেহারা চাষিরা,স্বপ্ন বুনছে তখন ‘বিটরুট’ আগামীকাল ঢাকায় আসছেন যুক্তরাষ্ট্রের সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বিদায় বেলাতেও নিজের সুবিধার জন্য আইন পাল্টান ড. ইউনূস

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৩ মার্চ, ২০২৬
ড. মুহাম্মদ ইউনূস

দীর্ঘ ১৮ মাস ক্ষমতায় থাকা অবস্থায় শুধু নিজের জন্য সুযোগ-সুবিধা নিয়েছেন। নিজের বিরুদ্ধে দুর্নীতির মামলা প্রত্যাহার করিয়েছেন ক্ষমতার অপব্যবহার করে। সুদ মওকুফ করেছেন নিজের সব প্রতিষ্ঠানের। ক্ষমতায় বসে নিজের নামে নিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়, রিক্রুটিং এজেন্সির লাইসেন্স। বিদায়ের আগেও নিজের জন্য রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা নিতে ভোলেননি ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিন আগে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস নিজেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করেছেন। এর ফলে পরবর্তী এক বছর তিনি বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনীর (এসএসএফ) নিরাপত্তা-সুবিধা পাবেন।

তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের সচিব (বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সাইফুল্লা পান্নার সই করা প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকার বিশেষ নিরাপত্তা বাহিনী আইনের ক্ষমতাবলে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসকে তাঁর দায়িত্ব হস্তান্তরের তারিখ থেকে এক বছরের জন্য ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

এটা করতে গিয়েও সাবেক প্রধান উপদেষ্টা অসততার আশ্রয় নিয়েছেন। ড. ইউনূস যে অধ‍্যাদেশটি অতি গোপনীয়তার সাথে করেছেন, তা ২০০৬ সালের ২৯ অক্টোবর এস. আরও নং ২৮৫ সংশোধন করে করা। ঐ আদেশে বলা হয়েছিল, ‘রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টাকে স্ব স্ব পদে কর্মবসানের তারিখ হইতে এবং জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতাকে নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে সর্বোচ্চ তিন মাস অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করিল।’

ড. ইউনূস এই আদেশের আলোকে শুধু তার নিজের জন্য নিজেকে এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা করেছেন। কিন্তু বাকিদের ক্ষেত্রে এই সময়সীমা বৃদ্ধি করেননি। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী, কোন ব্যক্তির জন্য আইন পরিবর্তন বা প্রণয়ন করা যায় না। কাজেই ১০ ফেব্রুয়ারি অতি গোপনীয় ভাবে জারি করা অধ্যাদেশটি একদিকে যেমন সংবিধানের মৌলিক নীতির লঙ্ঘন। ফলে অসাংবিধানিক, ঠিক তেমনই এটি ড. ইউনূসের স্বার্থপরতার একটি উদাহরণ। কারণ তিনি যদি বিদায়ী রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী এবং আগের আইনে বর্ণিত সকলের জন্য সময় বাড়াতেন, তাহলেও এর যৌক্তিকতা কিছুটা হলেও বোঝা যেত। কিন্তু শুধু নিজেকে আগামী এক বছরের জন্য অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে ঘোষণা, কেবল অনৈতিক নয়, সংবিধানের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর