ইরানের ওপর মার্কিন হামলার প্রথম ৪৮ ঘণ্টায় পেন্টাগন ৫.৬ বিলিয়ন ডলার মূল্যের অস্ত্র ও গোলাবারুদ ব্যবহার করেছে বলে এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের এই বিশাল অংকের ব্যয় এবং উন্নত সমরাস্ত্রের দ্রুত ফুরিয়ে যাওয়া নিয়ে বর্তমানে ওয়াশিংটনের কংগ্রেস সদস্যদের মধ্যে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।
গত সোমবার কংগ্রেসে পেশ করা এক প্রাক্কলন অনুযায়ী, যুদ্ধের শুরুতেই বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্র ব্যবহার করায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক প্রস্তুতি ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া এই অভিযানে শত শত প্রিসিশন উইপন, টমাহক ক্রুজ মিসাইল এবং উন্নত আকাশ প্রতিরক্ষা ইন্টারসেপ্টর ব্যবহার করা হয়েছে।
তিনজন উচ্চপদস্থ মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে জানা গেছে, ট্রাম্প প্রশাসন চলমান এই সামরিক অভিযান অব্যাহত রাখতে চলতি সপ্তাহেই কয়েক হাজার কোটি ডলারের একটি অতিরিক্ত প্রতিরক্ষা বাজেট পাসের অনুরোধ জানাতে পারে।
তবে বিরোধী ডেমোক্র্যাট সদস্যদের পক্ষ থেকে এই অনুরোধ বড় ধরনের বাধার সম্মুখীন হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, কারণ তারা শুরু থেকেই এই সংঘাত নিয়ন্ত্রণের পক্ষে ছিলেন। যদিও পেন্টাগনের প্রধান মুখপাত্র শন পার্নেল দাবি করেছেন, প্রেসিডেন্টের নির্দেশে যেকোনো মিশন সফল করতে প্রয়োজনীয় সব রসদ বর্তমানে মার্কিন বাহিনীর হাতে রয়েছে।
তবুও বিশ্লেষক মার্ক কানসিয়ানের মতে, যুদ্ধের ব্যয় কমাতে হলে যুক্তরাষ্ট্রকে সম্ভবত আরও সাশ্রয়ী প্রযুক্তির দিকে নজর দিতে হবে। বর্তমান প্রেক্ষাপটে এই বিপুল ব্যয় এবং অস্ত্রের মজুদ কমে আসা নিয়ে মার্কিন প্রশাসনের ভেতরে অস্থিরতা ক্রমেই বাড়ছে।
সূত্র: আল মায়াদিন