বৃহঃবার (১৬ এপ্রিল)দুপুর তিন টায় কাজিপুর পৌরসভার হলরুমে এ সভার অনুষ্ঠিত হয়।এতে অংশ নেয় টিকাদানকর্মী, তদারককারি, স্বেচ্ছাসেবীগণ ও স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতরের প্রতিনিধি।সভায় সভাপতিত্ব করেন কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও পৌর প্রশাসক মোস্তাফিজুর রহমান ।রিসোর্স পার্সন হিসেবে বক্তব্য রাখেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাসেল। সভায় জানানো হয়, ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে এক ডোজ করে হাম-রুবেলা (এমআর) টিকা প্রদান করা হবে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা: রাসেল বলেন, সময়মতো টিকাদান নিশ্চিত করতে পারলে হাম ও রুবেলার মতো সংক্রামক রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব হবে। এ লক্ষ্যে নির্ধারিত তারিখ অনুযায়ী নিকটবর্তী টিকাদান কেন্দ্রে গিয়ে শিশুদের টিকা প্রদান নিশ্চিত করতে অভিভাবকদের প্রতি তিনি আহ্বান জানান।বলা হয়, হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের টিকা গ্রহণের জন্য জন্ম নিবন্ধন নম্বর দ্বারা ইপিআই ভ্যাকসিনেশন অ্যাপ (VaxEPI- Vaccine Registry App) এর মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে।
অনলাইন রেজিস্ট্রেশন ছাড়াও সরাসরি টিকা কেন্দ্রে গিয়ে টিকা গ্রহণ করতে পারবে।অধিকাংশ ক্ষেত্রে কমিউনিটিতে টিকাদান কার্যক্রম চলবে পাশাপাশি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ভিত্তিক কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বহির্ভূত শিশুদের বিদ্যমান স্থায়ী ও অস্থায়ী ইপিআই কেন্দ্রে টিকা প্রদান করা হবে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাদ পড়া ছাত্র-ছাত্রী নিকটবর্তী যেকোনো স্থায়ী বা অস্থায়ী টিকাদান কেন্দ্র থেকে টিকা গ্রহণ করতে পারবে। টিকা গ্রহণকারী সব শিশু ও ছাত্র-ছাত্রী অ্যাপ থেকে টিকার সনদ ডাউনলোড করতে পারবেন।
স্বাস্থ্য পরিদর্শক ও ভেকসিনেশন সুপার ভাইজার আলহাজ্ব মোঃ আবু তালেব এর পরিচালনায় বক্তব্য রাখেন মেডিক্যাল টেকনোলজিস (ইপিআই) মামুনুর রশীদ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম লিটন সহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ।উল্লেখ, কাজিপুর উপজেলায় ১ টি স্থায়ী কেন্দ্র সহ ২৮৮ টি ও পৌরসভার ৭২ টি কেন্দ্রে সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৪ টা পর্যন্ত কার্যক্রম চলবে।এ বছর প্রায় ৩৯ হাজার শিশুকে লক্ষমাত্রা হিসেবে নির্ধারন করা হয়েছে।
আগামী ২০ এপ্রিল থেকে ১০ মে পর্যন্ত এ ক্যাম্পেইন চলমান থাকবে।