সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬, ০৮:১১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শাহজাদপুরে ট্রাফিক বিভাগের আয়োজনে জনসচেতনতামূলক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত কাজিপুরে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের পরিদর্শন করেন অডিট অধিদপ্তরের উপপরিচালক পরিবারকে রেস্টুরেন্টে রেখে নিখোঁজ, ৬ দিন পর উদ্ধার, মুক্তিপণের ২৫ লাখ টাকাসহ গ্রেফতার ৪ তেজগাঁও বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় অপরাধ দমনে অভিযান,গ্রেফতার ৮২ জিয়ানগরে আলোচিত গৃহবধূ হত্যা মামলার  আসামী কামাল পঞ্চায়েত র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার মোহাম্মদপুরে বিশেষ অভিযান: বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ৩৪ জন গ্রেফতার কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে অনার্স শিক্ষার্থীদের নবীন বরণ অনুষ্ঠিত ঈদের মাংস বিতরনকালে ফুড ফর অল এর কাছে ক্যান্সার আক্রান্ত অসহায় পিতার আর্তনাদ সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় দুস্থ নারীর মাঝে সেলাই মেশিন বিতরণ কোস্ট গার্ডের অভিযানে শুল্ক ফাঁকি দিয়ে আনা ভারতীয় ঔষধ উদ্ধার
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

অভিষেক ব্যানার্জির ওপর হামলা, ঢিল-জুতা-ডিম থেকে বাঁচতে হেলমেট পরিধান

অনলাইন ডেস্ক: / ৪৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ৩০ মে, ২০২৬

প্রবল জনরোষের মুখে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য অভিষেক ব্যানার্জি। তাকে ঘিরে ধরে দফায় দফায় বিক্ষোভ, ‌‘চোর’ স্লোগান। উড়ে আসলো ঢিল, পাটকেল, ডিম। এমনকি জুতাও ছুড়ে মারা হয়। ছিঁড়ে ফেলা হয় তার পরনের জামাও। বিক্ষোভের মুখে পড়ে মাথায় হেলমেট পরতে হয় অভিষেককে।

শনিবার (৩০ মে) বিকেলে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার কামালগাছি, সোনারপুরে প্রবল বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

এদিন বিকেলের দিকে কালীঘাট থেকে বের হয়ে সোনারপুরের দিকে যান অভিষেক। সেখানে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের বাড়িতে যাচ্ছিলেন অভিষেক। যাওয়ার পথে কামালগাছি এলাকায় তাকে ‘কালো পতাকা’ দেখান নারীরা। এরপর সোনারপুর ঢুকতেই অভিষেককে ডিম ছোড়া হয়, ওঠে ‘চোর’ স্লোগান। ছোড়া ডিমে অভিষেকের সাদা পোশাক অপরিষ্কার হয়ে যায়। একসময় তিনি গাড়ি থেকে নেমে একটি বাইকে চড়ে গন্তব্যে যেতে চাইলে সেখানেও প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়তে হয়। মাথায় হেলমেট থাকায় ডিম এসে পড়ে তার মাথায়। শুধু তাই নয়, অভিষেকের পরনের জামা ছিঁড়ে দেওয়া হয়। মাথায় হেলমেট পরে কোনোক্রমে রক্ষা পান তিনি। তবে এ ঘটনায় অভিষেকের চশমা ও ঘড়ি ভেঙে গেছে বলে জানা গেছে।

যদিও এত বাধা অতিক্রম করে শেষ পর্যন্ত নিহত দলীয় কর্মীর বাড়িতে পৌঁছে যান অভিষেক। ওই বাড়ির চারপাশে সাধারণ মানুষ জমায়েত হয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করে এবং চোর চোর স্লোগান দিতে থাকে। সোনারপুরে অভিষেকের ওপর হামলার খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান কেন্দ্রীয় বাহিনী সদস্যরা। পরে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিরাপত্তা দিয়ে তাকে ওই নিহত দলীয় কর্মীর বাড়ি থেকে বাইরে বের করা হয়।

সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করার পর সেই বাড়িতে বসেই অভিষেক বলেন, এই হলো ডাবল ইঞ্জিনের নমুনা। সবাই চেয়েছিল, ডাবল ইঞ্জিন হোক। ওরা চায়, আমাদের মেরে ফেলতে। মারুক। আমার লাশ এখান থেকে বেরোবে। আমার মাথাটা বেঁচে গেল শুধু হেলমেট ছিল বলে। পুলিশ কোথাও নেই। সব ঘটনার ভিডিও রেকর্ড রইল। পুলিশকে খবর দেওয়া হোক। আমি এখান থেকে বেরিয়ে যেতেই পারি। কিন্তু এই পরিবারের ওপর হামলা হবে তারপর। আমি এখন এদের ছেড়ে যেতে পারব না। বাহিনী পাঠিয়ে আগে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, অভিষেক যেভাবে নির্বাচন চলাকালীন সময়ে হুমকি দিয়েছিল, তৃণমূল কংগ্রেসের শাসনামলে যেভাবে দুর্নীতি হয়েছিল, সাধারণ মানুষ যেভাবে সরকারি সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছিল, পাশাপাশি সিন্ডিকেট অরাজকতা তৈরি হয়েছিল… তার বদলে এটাই তার প্রাপ্য। অনেক কম করা হয়েছে, আরও বেশি করা উচিত ছিল। তাদের প্রশ্ন, কলকাতার আরজি কর হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় নিহত তরুণী চিকিৎসক ছাত্রীর মৃত্যুর পর তখন কেন তার বাড়িতে অভিষেক যাননি?

অভিষেকের ওপর এই হামলা নিয়ে বিজেপি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য বলেন, আজ বিজেপি ক্ষমতায় এসেছে বলেই তৃণমূলের নেতারা অক্ষত রয়েছেন। ওরা যে পরিমাণ অত্যাচার মানুষের ওপর করেছে, আমাদের জেলা সভাপতি, আমাদের দলের কর্মীদের ওপর করেছে। তারপর আমরা ছিলাম বলেই ওদের বিধায়ক-সাংসদরা এখনো এই অবস্থায় আছেন। অন্য কোনো দল থাকলে এতক্ষণ সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলার সুযোগ পেতেন না। এখনো বলছি, হিংসার পথ ছাড়ুন। সবাইকে শান্তিতে থাকতে দিন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর