শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২৩ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
রাজধানীতে গাড়ির যন্ত্রাংশ চোর চক্রের চার সদস্য গ্রেফতার নওগাঁয় একটি ক্লিনিকে ২টি জমজ সন্তান জন্ম নিলেও ১টি সন্তান উধাও জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে ছাত্রদলের দুই দিনের কর্মসূচি ঘোষণা রাশিয়ার কাছ থেকে ৯০ ক্ষেপণাস্ত্র লঞ্চার পাচ্ছে ইরান এক দশকে পাকিস্তানের বৈদেশিক ঋণ বেড়েছে দ্বিগুণ কুমিল্লায় কাশ্মীরি মেডিকেল শিক্ষার্থী মৃত্যু, ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ভারতীয় হাইকমিশনের কর্মকর্তা গার্মেন্টস শ্রমিকদের নিম্নতম মজুরি নির্ধারণে মজুরি বোর্ডের দ্বিতীয় সভা ৯ নভেম্বর নির্বাচনে বড় হার, স্বপদেই থাকছেন মার্কিন পররাষ্ট্র ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী? চলতি বছরের শেষেই স্কুলশিক্ষার্থীরা নতুন বই হাতে পাবে রাশিয়ার হয়ে গোয়েন্দা-অস্ত্র সরবরাহ, পোল্যান্ডে গ্রেফতার ৬
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষা চালু হলে মাদ্রাসায় ভর্তির চাপ কমবে: এসিল্যান্ড নিগার সুলতানা

আরিফ হোসেন রুদ্র,রায়পুর, (লক্ষ্মীপুর)প্রতিনিধি : / ১৫৯ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২৬



লক্ষ্মীপুরের রায়পুর উপজেলায় অনুষ্ঠিত উপজেলা উন্নয়ন মহাপরিকল্পনা সংক্রান্ত মতবিনিময় সভায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং শিক্ষার্থীদের নৈতিক ও ধর্মীয় শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করতে প্রতিটি বিদ্যালয়ে একজন করে কোরআনের শিক্ষক নিয়োগের প্রস্তাব দেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) নিগার সুলতানা।

সভায় বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) দৃষ্টি আকর্ষণ করে বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে কোরআন শিক্ষা চালু করা গেলে শিক্ষার্থীরা ছোটবেলা থেকেই ধর্মীয় ও নৈতিক শিক্ষার সুযোগ পাবে। এতে কোরআন শিক্ষার জন্য আলাদাভাবে মাদ্রাসায় ভর্তির চাপও কমতে পারে বলে তিনি মত প্রকাশ করেন।
তবে সভায় দেওয়া তার বক্তব্যের একটি সংক্ষিপ্ত অংশ পরবর্তীতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

এ বিষয়ে স্থানীয়দের অনেকেই দাবি করেন, বক্তব্যের সম্পূর্ণ প্রেক্ষাপট উপস্থাপন না করে কেবল একটি ছোট ভিডিও ক্লিপ প্রচার করায় বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয়েছে। তাদের মতে, পুরো বক্তব্য না শুনে বা যাচাই না করে এমন ভিডিও প্রচার জনমনে ভুল বোঝাবুঝির জন্ম দিতে পারে।

স্থানীয়রা আরও বলেন, ধর্মীয় অনুভূতিতে প্রভাব ফেলতে পারে বা বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে—এমন প্রসঙ্গবিচ্ছিন্ন ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করা দায়িত্বশীল আচরণ নয়। তারা সংশ্লিষ্টদের প্রতি সম্পূর্ণ বক্তব্য যাচাই করে মতামত দেওয়ার আহ্বান জানান।

এলাকাবাসীর মতে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেকোনো বক্তব্য বা ভিডিও প্রচারের ক্ষেত্রে সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা প্রয়োজন, যাতে অপ্রয়োজনীয় বিভ্রান্তি ও সামাজিক অস্থিরতার সৃষ্টি না হয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর