চীন তেল মজুত রাখায় এবং জ্বালানি রূপান্তর করায় বিশ্ববাজারে ইরান যুদ্ধের তীব্র প্রভাব পড়েনি বলে মন্তব্য করেছেন ইউরোপিয়ান সেন্ট্রাল ব্যাংকের (ইসিবি) অর্থনীতিবিদরা।
গত সোমবার এক ব্লগ পোস্টে তারা জানায়, বেইজিং যথেষ্ট পরিমাণে অপরিশোধিত তেল সংরক্ষণ করায়, ইলেকট্রিক গাড়ির ব্যবহার বাড়ানোয় এবং পেট্রোকেমিক্যালের ব্যবহার কমানোয় তেল ও গ্যাসের দাম তুলনামূলকভাবে কম হারে বেড়েছে।
বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ অর্থনীতির দেশ চীন তেল মজুত করায় কঠিন পরিস্থিতি এড়ানো গেছে। ২০২৩ সালে তাদের অপরিশোধিত তেলের মজুত ছিল ৯২ দিনের। চলতি বছরের প্রথম দিকে অপরিশোধিত তেলের মজুদ ছিল ১১৫ দিনের। এতে সরবরাহ ঘাটতি সামলানো সম্ভব হয়েছে।
ইরান যুদ্ধের কারণে দিনে ১৪ মিলিয়ন ব্যারেলের ঘাটতি দেখা দেয়, যা বৈশ্বিক সরবরাহের প্রায় ১৪ শতাংশ। রিপোর্টে তারা জানায়, ২০২২ সালে ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ শুরু করার পর সরবরাহ ঘাটতি ছিল এক মিলিয়ন ব্যারেল, যা বৈশ্বিক সরবরাহের ১ শতাংশ। ফেব্রুয়ারিতে ইরান যুদ্ধ শুরুর পর তেলের দাম বৃদ্ধি পায়। গত জুনের শুরুতে যুদ্ধপূর্ব অবস্থার তুলনায় দাম বাড়ে ২৯ শতাংশ। ইউক্রেন-রাশিয়ার যুদ্ধের কারণে তেলের দাম বৃদ্ধি পেয়েছিল সর্বোচ্চ ৩০ শতাংশ।
রিপোর্টে আরো বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রে শেল তেলের উৎপাদন বেড়েছে, ফলে বৈশ্বিক বাজারে তেলের সরবরাহ বৃদ্ধি পেয়েছে।
সূত্র : ফোরেক্স ফ্যাক্টরি
সৌজন্যে : কালের কণ্ঠ