বৃহস্পতিবার, ০৮ জানুয়ারী ২০২৬, ০৬:৫১ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
এলপিজি ব‍্যবসায়ীদের ধর্মঘট প্রত‍্যাহার যে কারণে ইংরেজিতে কথা বলেন না মেসি অবশ্যই তাদের দায়মুক্তির অধিকার রয়েছে: আসিফ নজরুল জামায়াত ধর্মকে ব্যবহার করছে -ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু মেছড়ার গটিয়ায় বেগম খালেদা জিয়া’র রুহের মাগফেরাত কামনায় দোয়া মাহফিল শাহজাদপুর প্রেসক্লাবে খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় দোয়া মাহফিল ‘দুর্ব্যবহারের ঘটনা’ আড়াল করতেই এএসপিকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর অভিযোগ আনে বাসচালক রাজধানীতে পুলিশের বিশেষ অভিযানে গ্রেফতার ১১ নোয়াখালীতে মাদকবিরোধী ক্রীড়া প্রতিযোগিতা:বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ যাত্রাবাড়ীতে ডিবির অভিযানে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

উল্লাপাড়ায় হিন্দু নারীর সৎকারে বাধার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬



সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক হিন্দু নারীর সৎকার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন নিহত নারীর স্বজন ও স্থানীয়রা।

নিহত নারীর নাম মিনা বনিক (৫৫)। তিনি উপজেলার ঝিকিড়া গ্রামের প্রয়াত গণেশ বনিকের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ঘোষগাঁতী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি শ্মশানের নামকরণকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আগে এর নাম ছিল ‘উল্লাপাড়া মহাশ্মশান’। সম্প্রতি সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘ঘোষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান’ রাখা হয়। এই পরিবর্তনকে ঘিরেই বিভক্তি তৈরি হয় দুটি পক্ষের মধ্যে।


গতকাল রবিবার রাতে মিনা বনিক মারা যান। সোমবার সকালে তাঁর স্বজনেরা শ্মশানে সৎকারের প্রস্তুতির জন্য চাবি চাইতে গেলে বাবলু ভৌমিক নামের এক ব্যক্তি চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁদের বলেন, তোমাদের এখানে নয়, উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে নিয়ে গিয়ে সৎকার করতে হবে।

এর প্রতিবাদে সকালে নিহত নারীর পরিবার ও স্থানীয়রা মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে বিক্ষোভ করেন।

নিহতের ভাতিজা সুকদেব সাহা ও রাজেশ কুমার সাহা বলেন,আমাদের চাচীর সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিভেদ সৃষ্টি করতে বাবলু ভৌমিক শ্মশানের চাবি দেননি। বাধ্য হয়ে আমরা মরদেহ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে এসেছি।

এ বিষয়ে বাবলু ভৌমিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. আরিফ বলেন,“হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে আমি ফোনে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিয়েছি। এখন সৎকার কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকার কথা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর