রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:৪৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শতকোটি টাকার চৌহালী-টাঙ্গাইল যমুনা তীর রক্ষা বাঁধে ভাঙনে বসত ভিটা বিলীন সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ মদের গুদাম সিলগালা শাহজালালে ৫৯৫ কার্টন সিগারেট, গৌরী ক্রিম ও মদ জব্দ ভোলায় অবৈধভাবে বালু উত্তোলন, ৮ জন আটক দুর্গানগর ইউপি কার্যালয়ে ৫ বছর ধরে নেই খাবার পানির টিউবওয়েল ভোগান্তিতে সেবাপ্রার্থীরা কাচ্চি ডাইনের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে আছে ৫ মামলা,গ্রেফতার না করায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন সিরাজগঞ্জে সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-লুটপাটের অভিযোগ, আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন সাংবাদিকের বাড়িতে হামলা-লুটপাটের প্রতিবাদে হাটিকুমরুলে মানববন্ধন সিংড়ায় বজ্রপাত প্রতিরোধে স্কয়ার ক্রপ কেয়ার ডিভিশনের উদ্যোগে তালগাছের চারা রোপণ ও সচেতনতা সভা সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ডেঙ্গু প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

উল্লাপাড়ায় হিন্দু নারীর সৎকারে বাধার অভিযোগ, মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদে বিক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১৩৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ৫ জানুয়ারী, ২০২৬



সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া উপজেলায় এক হিন্দু নারীর সৎকার কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একই সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। এ ঘটনার প্রতিবাদে মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে বিক্ষোভ করেছেন নিহত নারীর স্বজন ও স্থানীয়রা।

নিহত নারীর নাম মিনা বনিক (৫৫)। তিনি উপজেলার ঝিকিড়া গ্রামের প্রয়াত গণেশ বনিকের স্ত্রী।

স্থানীয় সূত্র জানায়, উপজেলার ঘোষগাঁতী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি শ্মশানের নামকরণকে কেন্দ্র করে হিন্দু সম্প্রদায়ের মধ্যে বিরোধ চলছিল। আগে এর নাম ছিল ‘উল্লাপাড়া মহাশ্মশান’। সম্প্রতি সেটির নাম পরিবর্তন করে ‘ঘোষগাঁতী হিন্দু মহাশ্মশান’ রাখা হয়। এই পরিবর্তনকে ঘিরেই বিভক্তি তৈরি হয় দুটি পক্ষের মধ্যে।


গতকাল রবিবার রাতে মিনা বনিক মারা যান। সোমবার সকালে তাঁর স্বজনেরা শ্মশানে সৎকারের প্রস্তুতির জন্য চাবি চাইতে গেলে বাবলু ভৌমিক নামের এক ব্যক্তি চাবি দিতে অস্বীকৃতি জানান।

অভিযোগ রয়েছে, তিনি তাঁদের বলেন, তোমাদের এখানে নয়, উল্লাপাড়া মহাশ্মশানে নিয়ে গিয়ে সৎকার করতে হবে।

এর প্রতিবাদে সকালে নিহত নারীর পরিবার ও স্থানীয়রা মরদেহ নিয়ে উপজেলা পরিষদ চত্বরে এসে বিক্ষোভ করেন।

নিহতের ভাতিজা সুকদেব সাহা ও রাজেশ কুমার সাহা বলেন,আমাদের চাচীর সৎকারে বাধা দেওয়া হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে বিভেদ সৃষ্টি করতে বাবলু ভৌমিক শ্মশানের চাবি দেননি। বাধ্য হয়ে আমরা মরদেহ নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে এসেছি।

এ বিষয়ে বাবলু ভৌমিকের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তাঁর মুঠোফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

উল্লাপাড়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ. টি. এম. আরিফ বলেন,“হিন্দু সম্প্রদায়ের দুই পক্ষের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। পরে আমি ফোনে সংশ্লিষ্টদের জানিয়ে দিয়েছি। এখন সৎকার কাজ সম্পন্ন হয়ে থাকার কথা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর