বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:২৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন ধর্ষণ মামলার আসামি আলতাফ হোসেন রোজায় বিদ্যুৎ পরিস্থিতি মোকাবিলাই মূল চ্যালেঞ্জ : বিদ্যুৎমন্ত্রী এডুকেশন সেক্টরে শুধু হাই জাম্প না, পোল ভল্ট জাম্প দিতে হবে: শিক্ষামন্ত্রী সরকারি গাড়িতে নয়, নিজস্ব গাড়িতেই চলাফেরা করবেন প্রধানমন্ত্রী দেশের আকাশে পবিত্র রমজান মাসের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে রোজা শুরু নওগাঁয় হিরো গ্লামার এক্স’ এর শুভ উদ্বোধন সেনাট্রাক-বাস মুখোমুখি সঙ্ঘর্ষ: ৯৯৯ নম্বরে ফোনকলে উদ্ধার আটকে পড়া যাত্রী ডিএমপি অপরাধ বিভাগের শ্রেষ্ঠ মতিঝিল বিভাগ, থানা হাজারীবাগ টেকসই কৃষিতে নতুন দিগন্ত, খানসামায় মাঠে মাঠে ভার্মি কম্পোস্ট চর্চা উদ্ধারে কাজ করছে পিবিআই: কবিরাজের কাছে চিকিৎসা নিতে গিয়ে নিখোঁজ তরুণী
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজায় অংশ নিলেন ধর্ষণ মামলার আসামি আলতাফ হোসেন

নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা: / ০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬



সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় ধর্ষণ মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি আলতাফ হোসেন প্যারোলে মুক্তি পেয়ে মায়ের জানাজা ও দাফনে অংশ নিয়েছেন।


বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে তাকে সিরাজগঞ্জ কারাগার থেকে তিন ঘণ্টার জন্য প্যারোলে মুক্তি দেওয়া হয়। পরে তাকে উল্লাপাড়া উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামে নিজ বাড়িতে আনা হয়। আলতাফ হোসেন পূর্বদেলুয়া গ্রামের মৃত ফজল প্রামানিক ও মৃত জায়দা বেগমের ছেলে।

এর আগে বুধবার সকালে তার মা জায়দা বেগম নিজ বাড়িতে ইন্তেকাল করেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে পরিবারের পক্ষ থেকে আবেদন করা হলে জেলা ম্যাজিস্ট্রেট কামরুল ইসলাম তিন ঘণ্টার প্যারোল মঞ্জুর করেন। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে আলতাফ হোসেন মায়ের জানাজা ও দাফন কার্যক্রমে অংশ নেন।

উল্লাপাড়া মডেল থানার ওসি সাকিউল আযম জানান, জানাজা ও দাফন শেষে তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানো হয়েছে।


উল্লেখ্য, ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর সহিংসতার ঘটনায় উপজেলার পূর্বদেলুয়া গ্রামের অনিল চন্দ্র শীলের ১২ বছর বয়সী মেয়ে পূর্ণিমা রাণী শীল গণধর্ষণের শিকার হন। ঘটনার পর তাকে একটি কচুক্ষেতে ফেলে রাখা হয়। এ ঘটনায় তার বাড়িঘর ভাঙচুর এবং পরিবারের সদস্যদের মারধরের অভিযোগ ওঠে, যা সে সময় দেশব্যাপী আলোচিত হয়।

ঘটনার পর ২০০১ সালের ১০ অক্টোবর পূর্ণিমার বাবা মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে পুলিশ ১১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে। পরে ২০১১ সালের ৪ মে আদালত আসামিদের যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং প্রত্যেককে এক লাখ টাকা করে জরিমানার আদেশ দেন। সেই মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত হয়ে আলতাফ হোসেন দীর্ঘদিন ধরে কারাগারে রয়েছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর