বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ০২:৫৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র স্থলবাহিনী সংলাপ সমাপ্ত, সহযোগিতা জোরদারে আলোচনা প্রায় ২৯ বছরের কর্মজীবন শেষে অবসরে যাচ্ছেন অতিরিক্ত আইজিপি মনিরুজ্জামান উল্লাপাড়ায় চলছে জমজমাট বাণিজ্য মেলা তাড়াশে নানা আয়োজনে যুবদলের ৪৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত ভালো নির্বাচনের সংস্কৃতি গড়তে হবে, যাতে ভবিষ্যতে সব নির্বাচন ওই মানের হয় ঠাকুরগাঁও-১ আসনের উপনির্বাচন কাল, কেন্দ্রে কেন্দ্রে যাচ্ছে সরঞ্জাম চীনে শিশুদের চেয়ে বয়স্কদের দেখাশোনায় বেশি দায়িত্ব পরিবারগুলোর নওগাঁয় পুলিশের অভিযানে চোরাই অটোরিকশা উদ্ধার রংপুরে থেমে থাকা ট্রাকে বাসের ধাক্কা, নিহত ৩ বাংলাদেশে বিনিয়োগ সম্প্রসারণে ইউনিক্লোর প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে দুদকের চার্জশিট

অনলাইন ডেস্ক / ১৬৫ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১০ মার্চ, ২০২৬

সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান এবং তার স্ত্রী লুৎফুল তাহমিনার বিরুদ্ধে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও অর্থপাচারের অভিযোগে করা একটি মামলার চার্জশিট দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

মঙ্গলবার দুদক প্রধান কার্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের উপ-পরিচালক মো. আকতারুল ইসলাম এ তথ্য জানিয়েছেন।

 

দুদক জানায়, তদন্তে লুৎফুল তাহমিনার নামে মোট ১৮ কোটি ৪৩ লাখ ৫৮ হাজার ৯৭৪ টাকার স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদের তথ্য পাওয়া যায়। একই সঙ্গে তার পারিবারিক ব্যয় ধরা হয়েছে ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬৬ হাজার ৭২৩ টাকা। ফলে মোট সম্পদের পরিমাণ দাঁড়ায় ২০ কোটি ৯ লাখ ২৫ হাজার ৬৯৭ টাকা।

তদন্তে দেখা গেছে, এই সম্পদের বিপরীতে গ্রহণযোগ্য আয়ের পরিমাণ মাত্র ৫ কোটি ২২ লাখ ২৮ হাজার ২২৭ টাকা। এর ফলে তার নামে ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭০ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ পাওয়া গেছে বলে দুদক জানিয়েছে।

মামলায় বলা হয়েছে, বর্ণিত সম্পদের বৈধ উৎস না থাকায় সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সরকারি ক্ষমতার অপব্যবহার ও ঘুষ-দুর্নীতির মাধ্যমে তার স্ত্রীকে এসব সম্পদ অর্জনে সহায়তা করেছেন।

এছাড়া তদন্তে লুৎফুল তাহমিনার মালিকানাধীন একটি প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক হিসাবে জমা হওয়া ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০ টাকার উৎস সন্দেহজনক বলে উল্লেখ করা হয়েছে। দুদকের দাবি, ঘুষ বা উৎকোচ হিসেবে প্রাপ্ত অর্থ লেয়ারিং ও রূপান্তরের মাধ্যমে ওই হিসাবে জমা করে অবৈধ উৎস গোপনের চেষ্টা করা হয়েছে।

দুদক জানায়, এভাবে জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১৪ কোটি ৮৬ লাখ ৯৭ হাজার ৪৭০ টাকা এবং সন্দেহজনক ব্যাংক লেনদেনের ৬ কোটি ৬৫ লাখ ৭০ হাজার ৭৮০ টাকাসহ মোট ২১ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ২৫০ টাকার অর্থ বা সম্পদের উৎস গোপন করে অর্থপাচারের প্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে দুদক আইন ২০০৪ এর ২৭ (১) ধারা, দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন ১৯৪৭ এর ৫(২) ধারা এবং মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় চার্জশিট দাখিল করেছে দুদক।

সূত্র : বাসস


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর