বুধবার, ০১ জুলাই ২০২৬, ০৯:২৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
তাড়াশে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধের রমরমা ব্যবসা: মুদি দোকানি থেকে আঙুল ফুলে কলাগাছ জুয়েল রানা কুষ্টিয়া ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়কে সেন্টার অব এক্সিলেন্স’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে – শিক্ষামন্ত্রী রুয়েটে মডার্ন ইঞ্জিনিয়ারিং ট্রেনিং সিস্টেম শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত রাজশাহীতে চলতি মৌসুমের সরকারি ধান সংগ্রহ কার্যক্রম সম্পন্ন হতে চলেছে বগুড়ার শেরপুরে আন্তঃইউনিয়ন অনূর্ধ্ব-১৯ গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্টের উদ্বোধন কর বৃদ্ধি ছাড়াই রাসিকে হাজার কোটি টাকার বাজেট ঘোষণা মেঘনায় বিকল লঞ্চের ১২০ যাত্রীকে নিরাপদে উদ্ধার করল নৌ পুলিশ বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানে ১০ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী নোয়াখালীতে থাই জুয়ার আসর থেকে গ্রেফতার ৬ সবুজ বাংলাদেশ গড়তে বেশি বেশি গাছ লাগাতে বিএনপি নেতা আব্দুর রাজ্জাকের আহবান
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

তাড়াশে অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধের রমরমা ব্যবসা: মুদি দোকানি থেকে আঙুল ফুলে কলাগাছ জুয়েল রানা

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১ জুলাই, ২০২৬


সিরাজগঞ্জের তাড়াশ সদর ইউনিয়নের কৃষ্ণাদিঘী বাজারে একসময়ের সাধারণ মুদি দোকানি জুয়েল রানা এখন অঢেল সম্পদের মালিক। কোনো বৈধ পেশা বা আয়ের উৎস ছাড়াই গত কয়েক বছরে তিনি গড়ে তুলেছেন কোটি টাকার সাম্রাজ্য। অভিযোগ রয়েছে, যৌন উত্তেজক ভুয়া ওষুধ ও প্রতারণার ফাঁদ পেতে সাধারণ মানুষকে সর্বস্বান্ত করে তিনি এই অবৈধ সম্পদের পাহাড় গড়েছেন। বর্তমানে তাকে দামী ব্রান্ডের গাড়িতে ঘুরে বেড়াতে দেখা যায়, যা নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, কয়েক বছর আগেও জুয়েল রানা তাড়াশ উপজেলার কৃষ্ণাদিঘী বাজারে ছোট্ট একটি মুদি দোকানের ব্যবসায়ী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করেই তার জীবনযাত্রার মান বদলে যেতে শুরু করে। বর্তমানে তাড়াশ পৌর শহরের প্রধান বাণিজ্যিক এলাকায় অবস্থিত ওয়ালটন প্লাজার দোতলায় তিনি গড়ে তুলেছেন একটি বিলাসবহুল সেলুন যার নাম এবিএস স্মার্ট জেমস এন্ড বিউটি পার্লার।

​ স্থানীয়দের অভিযোগ, জুয়েল রানা ফেসবুকে ভুয়া একটি অনলাইন পেজ খুলে বিভিন্ন কৌশলে সাধারণ মানুষের কাছে যৌন উত্তেজক ভুয়া ওষুধ ও হারবাল বড়ি চড়া দামে বিক্রি করে আসছেন। গ্রাম-গঞ্জ থেকে আসা সহজ-সরল মানুষ এবং তরুণদের প্রলোভন দেখিয়ে তিনি এই অবৈধ ওষুধ গছিয়ে দেন। নামসর্বস্ব ও মানহীন এসব ওষুধ সেবন করে অনেকেই স্বাস্থ্যঝুঁকিতে পড়ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এই প্রতারণার মাধ্যমে অর্জিত অর্থ দিয়েই তিনি এখন বিলাস বহুল জীবনযাপন করছেন।

হঠাৎ আঙুল ফুলে কলাগাছ হয়ে ওঠা জুয়েল রানার চলাফেরার ধরন বদলে গেছে পুরোপুরি। তাকে প্রায়ই দামী প্রাইভেট কারে চড়ে এলাকায় মহড়া দিতে দেখা যায়। এ সময় আওয়ামী লীগের আমলে এলাকায় কেউ তাকে কিছু জিজ্ঞেস করলে তিনি রাজনৈতিক প্রভাব ও ক্ষমতার দাপট দেখান বলেও অভিযোগ রয়েছে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় কয়েকজন বাসিন্দা জানান, “যে মানুষটি কয়েক বছর আগে খেয়ে-পড়ে চলার জন্য লড়াই করছিল, সে কীভাবে এত দ্রুত কোটি কোটি টাকার মালিক হলো? অথচ তার কোনো বৈধ ব্যবসা নেই। প্রশাসন কেন এসবের তদন্ত করছে না, তা আমাদের বোধগম্য নয়।

​এ বিষয়ে তাড়াশের সচেতন মহল দ্রুত প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। অবৈধ যৌন উত্তেজক ওষুধের নামে এই প্রতারণা বন্ধ করতে এবং জুয়েল রানার অস্বাভাবিক সম্পদের উৎস অনুসন্ধানে তারা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর