শুক্রবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:০৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
শেরপুরে বিবাহিত বনাম অবিবাহিত ফুটবল প্রীতি ম্যাচ অনুষ্ঠিত ভঙ্গুর অর্থনীতি পুনরুদ্ধারে কাজ করছে সরকার: মীর শাহে আলম খানসামায় দুই সার ডিলারের গুদামে অভিযান, ৬৫৭ বস্তা সার জব্দ উল্লাপাড়ায় ভুয়া ট্রেড ইউনিয়নের খপ্পরে দিশেহারা আমান ফিড মিলের মালিক ও শ্রমিকেরা জয়পুরহাটে জনবল সংকটে স্বাস্থ্য সেবা,বঞ্চিত হতদরিদ্র রোগীরা কাজিপুরে বেকার মহিলাদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে কুটির শিল্প কর্মশালার সমাপনী অনুষ্ঠিত সিরাজগঞ্জে আজাদ হিন্দ ফৌজের বীর সৈনিক ফরহাদ হোসেনের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকীতে স্মরণসভা সলঙ্গায় অবৈধ দখল উচ্ছেদে বিএনপি- জামায়াত নেতাদের জড়ানোর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন জাতীয় সংসদের অনুমিত হিসাব-সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটি গঠন রাজধানীর মহাখালীতে পরিত্যক্ত ভবনে আগুন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

নাগরিক নিরাপত্তায় নতুন গতি, CIMS-এর মাধ্যমে তথ্য সংরক্ষণ করছে ডিএমপি

নিজস্ব প্রতিবেদক,ঢাকা / ৬৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬



রাজধানীর নাগরিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রযুক্তিনির্ভর পুলিশি সেবা আরও কার্যকর করতে Citizen Information Management System (CIMS) সফলভাবে পরিচালনা করছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)। এই ডিজিটাল তথ্য ব্যবস্থার মাধ্যমে রাজধানীর বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যদের মৌলিক তথ্য নিবন্ধন, সংরক্ষণ ও হালনাগাদ করা হচ্ছে।

রবিবার (২৬ জুলাই) ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (মিডিয়া) নিয়াজ মেহেদী এ তথ্য জানান।

তিনি জানান,নগরজুড়ে নিরাপত্তা জোরদারের লক্ষ্যে ২০১৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর রমনা থানা থেকে সফটওয়্যারভিত্তিক CIMS কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। পরে ২০১৭ সালে এটি রাজধানীর সব থানায় সম্প্রসারণ করা হয় এবং ২০১৯ সালে নাগরিকদের নিবন্ধন প্রক্রিয়া সহজ করতে চালু করা হয় CIMS মোবাইল অ্যাপ।

বর্তমানে CIMS ডাটাবেজে প্রায় ৩৬ লাখ ৭৩ হাজার ২৩৮টি পরিবারের নিবন্ধন সম্পন্ন হয়েছে। এতে ৫০ লাখের বেশি নাগরিকের তথ্য সংরক্ষিত রয়েছে। ডিএমপির মতে, ব্যক্তি থেকে রাষ্ট্রের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাজধানীতে বসবাসরত সব নাগরিকের এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আরও জানায়, CIMS-এ সংরক্ষিত সঠিক ও হালনাগাদ তথ্য বিট পুলিশিং কার্যক্রমকে আরও কার্যকর করে। পাশাপাশি অপরাধ প্রতিরোধ, তদন্ত, নিখোঁজ ব্যক্তি শনাক্ত, সন্দেহভাজনদের পরিচয় যাচাই এবং জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত তথ্য সংগ্রহ ও ব্যবহারে এটি সহায়ক ভূমিকা রাখে।

নিবন্ধনের জন্য ঢাকা মহানগরের প্রতিটি থানা ও পুলিশ ফাঁড়িতে CIMS ফরম পাওয়া যায়। নাগরিকরা ফরম পূরণ করে সংশ্লিষ্ট থানায় জমা দিতে পারবেন। ফরম জমা দেওয়ার আগে একটি ফটোকপি নিজের কাছে সংরক্ষণ রাখার পরামর্শ দিয়েছে ডিএমপি। এছাড়া ঠিকানা পরিবর্তন হলে নতুন এলাকার সংশ্লিষ্ট থানায় পুনরায় নিবন্ধন করতে হবে।

ডিএমপি জানায়, প্রতিটি থানা একাধিক বিটে বিভক্ত এবং প্রতিটি বিটে দায়িত্বপ্রাপ্ত বিট অফিসার রয়েছেন। প্রয়োজনে নাগরিকরা সরাসরি বিট অফিসারের সঙ্গে যোগাযোগ করে পুলিশি সহায়তা নিতে পারবেন।

সংস্থাটি আরও জানায়, CIMS-এ নিবন্ধনের মাধ্যমে বাড়িওয়ালারা ভাড়াটিয়ার পরিচয় নিশ্চিত করতে পারেন। এতে অপরাধী বা প্রতারকদের আশ্রয় নেওয়ার সুযোগ কমে যায় এবং বাড়িওয়ালারাও অযথা হয়রানির ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা পান। অন্যদিকে ভাড়াটিয়ারা সংশ্লিষ্ট বিট অফিসারের সঙ্গে পরিচিত হওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনে দ্রুত আইনগত সহায়তা ও পরিচয় যাচাইয়ের সুবিধা পান।

ডিএমপির ভাষ্য, CIMS ডাটাবেজ অপরাধ তদন্তেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিবন্ধিত তথ্যের মাধ্যমে পলাতক অপরাধী শনাক্ত, সন্দেহভাজনদের তথ্য যাচাই এবং দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ সহজ হচ্ছে। একই সঙ্গে বিট পুলিশিং কার্যক্রম শক্তিশালী হওয়ার পাশাপাশি জনগণ ও পুলিশের মধ্যে পারস্পরিক আস্থা বাড়ছে।

নিরাপদ, স্মার্ট ও অপরাধমুক্ত ঢাকা গড়ে তুলতে রাজধানীর সব বাড়িওয়ালা, ভাড়াটিয়া ও মেস সদস্যকে CIMS-এ নিবন্ধন সম্পন্ন করার আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ। ডিএমপির আহ্বান, নিজের তথ্য নিবন্ধন করুন, নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করুন এবং নিরাপদ ঢাকা গড়তে সহযোগিতা করুন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর