মঙ্গলবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৬, ০৭:২২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মোহাম্মদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ২৬ রাজনৈতিক স্বার্থে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন: বিক্ষোভকারীদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্য আন্দোলন দমনে স্ট্যাম্প হাতে বিএনপি অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীর শোডাউন সিরাজগঞ্জে মাদক মামলায় ট্রাক চালক ও হেলপারের যাবজ্জীবন কারাদন্ড শ্রমিকের ছদ্মবেশে নাশকতার অভিযোগে নিষিদ্ধ সংগঠনের ৩৩ সদস্য গ্রেফতার মিরপুরে শ্রমিক-পুলিশ সংঘর্ষ, বন্ধ মেট্রোরেল স্টেশন আজ শোকাবহ জেল হত্যা দিবস বেকারত্ব দূরীকরণে টিটিসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে: এমপি বাদশা মিরপুরে দুই পোশাক কারখানায় হামলা-ভাঙচুর, নিরাপত্তাকর্মী আহত
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ব্র্যাক ইপিএলে গ্রাহকের মানি লন্ডারিং

অনলাইন ডেস্ক: / ১০৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৩০ জুলাই, ২০২৬
-প্রতীকী ছবি।

ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ লিমিটেডের এক গ্রাহকের বিও (বেনিফিশিয়ারি ওনার্স) হিসাবে সংঘটিত সন্দেহজনক শেয়ার লেনদেন এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের (মানি লন্ডারিং) অভিযোগ অনুসন্ধানে মাঠে নেমেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) থেকে পাঠানো এক বিশেষ গোয়েন্দা প্রতিবেদনের ভিত্তিতে পরিচালনা করা হবে এই অনুসন্ধান কার্যক্রম।

এ লক্ষ্যে তিন সদস্যের একটি অনুসন্ধান কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিকে আগামী ৬০ কার্যদিবসের মধ্যে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি বিএসইসির মার্কেট ইন্টেলিজেন্স অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন থেকে জারি করা হয়েছে এ-সংক্রান্ত একটি আদেশ।

গঠিত অনুসন্ধান কমিটির সদস্যরা হলেন- বিএসইসির উপপরিচালক মুহাম্মদ ওয়ারিসুল হাসান রিফাত, সহকারী পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান এবং সহকারী পরিচালক আলী আহসান।

বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আবুল কালাম বলেছেন, বিএফআইইউ থেকে প্রাপ্ত গোয়েন্দা তথ্য এবং প্রতিবেদনের ভিত্তিতেই কমিশন অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। শেয়ারবাজারে কোনো ধরনের সন্দেহজনক লেনদেন, শেয়ার কারসাজি কিংবা মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ এলে বিএসইসি তা সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে। এই অনুসন্ধানের মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট বিও হিসাবের লেনদেনের প্রকৃতি, অর্থের উৎস এবং প্রযোজ্য আইন ও বিধিমালার কোনো লঙ্ঘন হয়েছে কি না-তা যাচাই করা হবে। অনুসন্ধানে অনিয়মের প্রমাণ পাওয়া গেলে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেবে কমিশন।

বিএসইসির আদেশে বলা হয়েছে, বিএফআইইউ সম্প্রতি কমিশনের কাছে একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন পাঠিয়েছে। সেখানে ব্র্যাক ইপিএল স্টক রোকারেজ লিমিটেডের গ্রাহক মো. শাহাদাত হোসেনের বিও হিসাবে সংঘটিত সন্দেহজনক ও অস্বাভাবিক লেনদেনের বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিশেষভাবে অনুরোধ জানানো হয়। ওই প্রতিবেদনের তথ্য ও উপাত্ত পর্যালোচনার পর কমিশন বিষয়টিকে অধিকতর গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে এবং বিস্তারিত অনুসন্ধান পরিচালনার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে।

এরই ধারাবাহিকতায় গত ১৪ জুলাই অনুষ্ঠিত বিএসইসির কমিশন সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ অর্ডিন্যান্স ১৯৬৯-এর ধারা ২১. বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন ১৯৯৩-এর ধারা ১৭ক এবং মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ২০১২ (সংশোধিত ২০১৫) প্রদত্ত ক্ষমতাবলে তিন সদস্যের অনুসন্ধান কমিটি গঠনের নির্দেশ দেওয়া হয়। আদেশ অনুযায়ী, কমিটিকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে সুষ্ঠু অনুসন্ধান সম্পন্ন করে কমিশনের কাছে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দিতে হবে। সেই প্রতিবেদনের সুপারিশের ভিত্তিতেই পরবর্তী নিয়ন্ত্রক, প্রশাসনিক কিংবা আইনগত ব্যবস্থা নেবে বিএসইসি।

বাজারসংশ্লিষ্টদের মতে, সম্প্রতি শেয়ারবাজারে অস্বাভাবিক লেনদেন, শেয়ারদরের অস্বাভাবিক ওঠানামা, কারসাজি এবং সম্ভাব্য অর্থ পাচারের ঝুঁকি মোকাবিলায় নজরদারি জোরদার করেছে কমিশন। এরই মধ্যে বিভিন্ন ব্রোকারেজ হাউজ, মার্চেন্ট ব্যাংক, সম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠান এবং বাজারসংশ্লিষ্ট অন্যান্য প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে পরিদর্শন, অনুসন্ধান ও তদন্ত কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। সে ধারাবাহিকতায় এবার আর্থিক গোয়েন্দা সংস্থা বিএফআইইউর সরবরাহ করা তথ্যের ভিত্তিতে একটি নির্দিষ্ট বিও হিসাবের লেনদেনও অনুসন্ধানের আওতায় আনা হলো। বিএফআইইউ ও বিএসইসির মধ্যে তথ্যবিনিময় এবং সমন্বিত নজরদারি জোরদার হওয়ায় শেয়ারবাজারে অবৈধ অর্থের প্রবাহ শনাক্ত করা সহজ হবে। একই সঙ্গে সন্দেহজনক লেনদেন, শেয়ার কারসাজি এবং অর্থ পাচারের মতো অভিযোগ দ্রুত তদন্তের আওতায় আনা সম্ভব হবে। কমিশনের ভাষ্য অনুযায়ী, শেয়ারবাজারের শৃঙ্খলা বজায় রাখা, বিনিয়োগকারীদের স্বার্থ সুরক্ষা এবং সম্ভাব্য অনিয়মের প্রকৃত চিত্র উদঘাটনের লক্ষ্যেই নেওয়া হয়েছে এই অনুসন্ধানের উদ্যোগ।

সূত্র : আগামীর সময়


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর