শুধু শীতকালেই নয়, বছরের বিভিন্ন সময় বিশেষ করে গরমকালেও চুলে খুশকির সমস্যা দেখা দেয়। মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যাওয়া, অতিরিক্ত তেল জমা, ছত্রাকের বৃদ্ধি কিংবা চুলের সঠিক যত্নের অভাবে খুশকি বাড়তে পারে। খুশকির কারণে চুলকানি, মাথার ত্বকে জ্বালাপোড়া এবং চুল পড়ার সমস্যাও দেখা দিতে পারে। খুশকি রোধে নিয়মিত চুল ও মাথার ত্বক পরিষ্কার রাখা জরুরি। পাশাপাশি কিছু সহজ ঘরোয়া উপায়ে মিলতে পারে সমাধান।
নিয়মিত চুল পরিষ্কার রাখুন
মাথার ত্বকে অতিরিক্ত তেল, ঘাম ও ময়লা জমতে দেওয়া উচিত নয়। নিজের চুলের ধরন অনুযায়ী নিয়মিত চুল ধুয়ে পরিষ্কার রাখলে খুশকির প্রবণতা কমতে পারে। তবে অতিরিক্ত শ্যাম্পু ব্যবহার করাও মাথার ত্বক শুষ্ক করে দিতে পারে।
নারকেল তেল ব্যবহার
নারকেল তেল মাথার ত্বকের শুষ্কতা কমাতে সাহায্য করতে পারে। অল্প পরিমাণ নারকেল তেল মাথার ত্বকে হালকা হাতে মালিশ করে কিছুক্ষণ পর চুল ধুয়ে ফেলতে পারেন। তবে তেল ব্যবহারে কারও খুশকি বেড়ে গেলে তা বন্ধ করা ভালো।
অ্যালোভেরা জেল
অ্যালোভেরা মাথার ত্বকে শীতল অনুভূতি দিতে পারে এবং শুষ্কতার কারণে হওয়া অস্বস্তি কমাতে সহায়ক হতে পারে। পরিষ্কার অ্যালোভেরা জেল মাথার ত্বকে লাগিয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট রেখে পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন।
পর্যাপ্ত পানি পান
শরীরে পানির ঘাটতি হলে ত্বক ও মাথার ত্বক শুষ্ক হয়ে যেতে পারে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পানি পান করার অভ্যাস করুন। পাশাপাশি পুষ্টিকর খাবার খাওয়াও চুল ও মাথার ত্বকের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
লেবু ব্যবহারে সতর্কতা
খুশকি কমাতে অনেকে সরাসরি মাথার ত্বকে লেবুর রস ব্যবহার করেন। তবে লেবুর রস ত্বকে জ্বালা বা অস্বস্তি তৈরি করতে পারে। তাই সংবেদনশীল মাথার ত্বকে এটি ব্যবহার না করাই ভালো।
কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেবেন?
ঘরোয়া যত্ন নেওয়ার পরও খুশকি দীর্ঘদিন থাকলে, মাথার ত্বকে অতিরিক্ত চুলকানি, লালচে ভাব, ক্ষত বা বেশি চুল পড়ার সমস্যা দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ সব ধরনের খুশকি শুধু শুষ্ক ত্বকের কারণে হয় না; মাথার ত্বকের কিছু রোগের কারণেও এমন সমস্যা হতে পারে।