মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

দিনে কতটুকু কফি খাওয়া নিরাপদ? অতিরিক্ত মাত্রায় হতে পারে যেসব বিপদ

অনলাইন ডেস্ক: / ৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

সতেজ ও কর্মক্ষম থাকতে অনেকেই নিয়মিত ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় পান করেন। তবে অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, অস্থিরতা, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া থেকে শুরু করে গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকিও তৈরি হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগ প্রাপ্তবয়স্কের জন্য দিনে সর্বোচ্চ ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন গ্রহণ নিরাপদ বলে বিবেচিত হয়।

এই পরিমাণ ক্যাফেইন প্রায় চার কাপ তৈরি কফি, ১০ ক্যান কোলা বা দুটি এনার্জি শট ড্রিংকের সমান। তবে পানীয়ভেদে ক্যাফেইনের পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য থাকতে পারে।

মার্কিন খাদ্য ও ওষুধ প্রশাসন (এফডিএ) জানিয়েছে, গুঁড়া বা তরল ক্যাফেইন গ্রহণে অতিরিক্ত মাত্রার ঝুঁকি রয়েছে। মাত্র এক চা-চামচ গুঁড়া ক্যাফেইনে প্রায় ২৮ কাপ কফির সমপরিমাণ ক্যাফেইন থাকতে পারে। অতিরিক্ত মাত্রায় ক্যাফেইন গ্রহণ গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা, এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

গর্ভবতী নারী, গর্ভধারণের চেষ্টা করছেন এমন নারী এবং শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান—এমন নারীদের ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ নিয়ে চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত ক্যাফেইন গ্রহণে বিভিন্ন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। মাথাব্যথা, অনিদ্রা, অস্থিরতা, খিটখিটে মেজাজ, ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবের নিয়ন্ত্রণে সমস্যা হলে ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমানোর কথা বিবেচনা করা যেতে পারে।

কারও কারও ক্ষেত্রে অল্প পরিমাণ ক্যাফেইন গ্রহণেও দ্রুত হৃদস্পন্দন, পেশি কাঁপা, পেটের সমস্যা বা শরীর কাঁপার মতো উপসর্গ দেখা দিতে পারে। এমন সমস্যা হলে ক্যাফেইন পুরোপুরি বন্ধ করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

এ ছাড়া কিছু ওষুধের সঙ্গে ক্যাফেইন গ্রহণে ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। বিশেষ করে এফেড্রিনযুক্ত ওষুধের সঙ্গে ক্যাফেইন গ্রহণ করলে উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগজনিত সমস্যা, স্ট্রোক বা খিঁচুনির ঝুঁকি বাড়তে পারে।

তবে নিয়মিত ক্যাফেইন গ্রহণের অভ্যাস থাকলে হঠাৎ তা বন্ধ করাও ঠিক নয়। এতে প্রত্যাহারজনিত উপসর্গ হিসেবে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, খিটখিটে মেজাজ ও মনোযোগের সমস্যা দেখা দিতে পারে। সাধারণত এসব উপসর্গ হালকা হয় এবং কয়েক দিনের মধ্যে কমে যায়।

তাই ক্যাফেইন গ্রহণের পরিমাণ কমাতে হলে ধীরে ধীরে কমানোর পরামর্শ দেওয়া হয়। যেমন প্রতিদিন একটি ক্যান কোমল পানীয় কম খাওয়া, ছোট কাপে কফি পান করা কিংবা দিনের শেষভাগে ক্যাফেইনযুক্ত পানীয় এড়িয়ে চলা যেতে পারে। এতে শরীর ধীরে ধীরে কম ক্যাফেইনের সঙ্গে অভ্যস্ত হয়ে উঠবে এবং প্রত্যাহারের উপসর্গও তুলনামূলক কম হতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর