সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১২:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
সীমান্তের ওপারের ইশারায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন অনেকে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুধাবি থেকে আনা সোনার ডিম বিক্রি হয়নি, ফেরত নেওয়ার পথে জব্দ পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ম্যারাথন, জার্সি ও মেডেল উন্মোচন সিরাজগঞ্জে ৬৫ চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় বাসায় মাদক সেবন ও ডিজে পার্টির আয়োজনের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি সাময়িক বরখাস্ত করতোয়ার পাড়ে বেদে বহর, জীবিকার তাগিদে যাযাবর জীবন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার ও দাফনে বাধাদান : দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এইচএসসি: সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ কল্যাণপুরে মোহাম্মদপুরের নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মশাল মিছিল মিরপু‌রে সড়ক অব‌রোধ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

রেনশ-এলিস দাপটে বড় জয়ে সিরিজ শুরু অস্ট্রেলিয়ার

অনলাইন ডেস্ক: / ১০২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
- সংগৃহীত ছবি

দীর্ঘ অপেক্ষার পর ওয়ানডেতে সেঞ্চুরির দেখা পেলেন ম্যাট রেনশ। তার ১০৯ রানের ইনিংসের পর ন্যাথান এলিসের ক্যারিয়ারসেরা বোলিংয়ে জিম্বাবুয়েকে ৫৯ রানে হারিয়েছে অস্ট্রেলিয়া।

হারারেতে মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ওয়ানডেতে ২৯৪ রান করার পর স্বাগতিকদের ২৩৫ রানে গুটিয়ে দিয়ে তিন ম্যাচের সিরিজে এগিয়ে গেল বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। এক যুগ পর জিম্বাবুয়ের মাটিতে ওয়ানডে খেলতে নেমে অস্ট্রেলিয়ার জয়ে বড় অবদান রাখেন রেনশ। ৯৪ বলে ১০৯ রানের ইনিংসটি সাজান তিন ছক্কা ও সাত চারে। গত বছর ওয়ানডে অভিষেকের পর দশম ম্যাচে এসে প্রথমবার তিন অঙ্ক ছুঁলেন ৩০ বছর বয়সী এই ব্যাটসম্যান।

জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যানের ওয়ানডে সেঞ্চুরির অপেক্ষাও শেষ হলো ২২ বছর পর। ২০০৪ সালে হারারেতেই রান তাড়ায় ১০৫ রান করে দলকে জিতিয়েছিলেন মাইকেল ক্লার্ক। অস্ট্রেলিয়ার ইনিংসে রেনশকে ভালো সঙ্গ দেন কুপার কনোলি। তিনটি ছক্কা ও চারটি চারে ৫১ রান করেন তিনি। তবে আর কোনো অস্ট্রেলিয়ান ব্যাটসম্যান ৪০ রানও করতে পারেননি।

টস জিতে ব্যাটিংয়ে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় অস্ট্রেলিয়া। দ্বিতীয় ওভারে ব্র্যাড ইভান্সের বলে ট্রাভিস হেডের স্টাম্প ভেঙে যায়। এরপর মিচেল মার্শ ও কনোলি মিলে ৫০ রানের জুটি গড়ে সামাল দেন পরিস্থিতি। মার্শও অবশ্য ইনিংস বড় করতে পারেননি। এক ছক্কা ও ছয় চারে ৩৬ রান করে নিউম্যান ন্যায়ামুরির বলে ফেরেন তিনি। তিন ওভার পর একই বোলারের শিকার জশ ইংলিস। তাঁর ক্যাচটি কট বিহাইন্ডে নেন উইকেটকিপার ব্রেন্ডান টেইলর।

১৮তম ওভারে কনোলির ইনিংসও শেষ হয়ে যেতে পারত। কট বিহাইন্ড হলেও ‘ফ্রন্ট ফুট নো বল’ হওয়ায় বেঁচে যান তিনি। পরের বলেই ছক্কা মেরে ৪৪ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন কনোলি। অবশ্য দুই বল পরই তার স্টাম্প উড়িয়ে দেন রাজা। এরপর রেনশ ক্রিজে এসে শুরুতে কিছুটা ধীরগতিতে খেললেও সময়ের সঙ্গে হাত খুলে দেন। ব্রায়ান বেনেট ও ওয়েলিংটন মাসাকাদজার দুই ওভারে মারেন একটি করে ছক্কা। অ্যালেক্স কেয়ারির সঙ্গে তাঁর জুটিতে আসে ৭২ রান। ইভান্স কেয়ারিকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন।

পরে মাসাকাদজাকে ছক্কা মেরে ৫৫ বলে ফিফটি পূর্ণ করেন রেনশ। অলিভার পিককে সঙ্গে নিয়ে গড়েন আরও একটি পঞ্চাশোর্ধ জুটি। ৭৫ রানের সেই জুটি অবশ্য শেষ হয় অদ্ভুতভাবে। ন্যায়ামুরির শর্ট অব লেংথ বল খেলতে গিয়ে ক্রিজের গভীরে পেছনের পা লেগে স্টাম্প ভেঙে যায় পিকের। ১৯৮৭ সালের পর ওয়ানডেতে অস্ট্রেলিয়ার কোনো ব্যাটসম্যানের এটি প্রথম ‘হিট উইকেট’।

এরপর রানের গতি বাড়িয়ে ৮৬ বলে সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন রেনশ। ফিফটি থেকে শতকে যেতে তাঁর লাগে মাত্র ৩১ বল। ইনিংসের শেষ ওভারের দ্বিতীয় বলে ছক্কা মারতে গিয়ে ক্যাচ দিয়ে ফেরেন তিনি। আর ন্যায়ামুরি পান তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথম পাঁচ উইকেট- মাত্র সপ্তম ম্যাচেই।

২৯৪ রান তাড়া করতে নেমে জিম্বাবুয়ের শুরুটাও ভালো হয়নি। ৪৬ রানের মধ্যে ফিরে যান টপ অর্ডারের তিন ব্যাটসম্যান। দ্বিতীয় ওভারে বেন কারানকে ফেরান জাভিয়ার বার্টলেট। এরপর নবম ওভারে জোড়া আঘাত হানেন এলিস। প্রথমে ইনোসেন্ট কাইয়াকে মিডউইকেটে ক্যাচ দেন, ওভারের শেষ বলে ব্রায়ান বেনেটকে কট বিহাইন্ড করেন তিনি। অভিজ্ঞ ব্রেন্ডান টেইলরও বেশিক্ষণ টিকতে পারেননি। ফলে ৬২ রানে চার উইকেট হারিয়ে চাপে পড়ে জিম্বাবুয়ে। সেখান থেকে সিকান্দার রাজা ও ক্রেইগ আরভাইন মিলে প্রতিরোধ গড়েন। দুজনের ফিফটিতে দেড়শ ছাড়ায় স্বাগতিকদের রান। ৫১ বলে ফিফটি পূর্ণ করা আরভাইনকে বোল্ড করে ৯৮ রানের জুটি ভাঙেন এলিস। ৫৯ রানের ইনিংসে একটি ছক্কা ও ছয়টি চার মারেন আরভাইন।

এরপর ১৮ মাস পর ওয়ানডেতে ফেরা স্পেন্সার জনসনের বলে বোল্ড হন রাজা। জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক করেন ৫৭ রান, তাঁর ইনিংসে ছিল পাঁচটি চার। এরপর আর প্রতিরোধ গড়তে পারেনি স্বাগতিকরা। ৪৬তম ওভারে ন্যায়ামুরিকে বোল্ড করে জিম্বাবুয়েকে ২৩৫ রানে অলআউট করার পাশাপাশি পাঁচ উইকেট পূর্ণ করেন এলিস। ৩১ রান দিয়ে ৫ উইকেট নিয়ে এটিই হয়ে গেল তাঁর ওয়ানডে ক্যারিয়ারের সেরা বোলিং। দুই দলের সিরিজের দ্বিতীয় ওয়ানডে একই মাঠে আগামী শুক্রবার অনুষ্ঠিত হবে।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

অস্ট্রেলিয়া: ৫০ ওভারে ২৯৪/৮ (মার্শ ৩৬, হেড ৪, কনোলি ৫১, ইংলিস ৪, কেয়ারি ২৭, রেনশ ১০৯, পিক ৩০, বার্টলেট ৫, এলিস ৯*, জ্যাম্পা ৩*; মুজারাবানি ১০-০-৪৬-০, ইভান্স ৯-০-৫১-২, ন্যায়ামুরির ৯-০-৬২-৫, রাজা ১০-০-৬২-১, মাধেভেরে ৩-০-১৮-০, বেনেট ৩-০-১৯-০, মাসাকাদজা ৬-০-৩৬-০)

জিম্বাবুয়ে: ৪৫.১ ওভারে ২৩৫ (বেনেট ২৫, কারান ০, কাইয়া ১৮, টেইলর ৪, আরভাইন ৫৯, রাজা ৫৭, মাধেভেরে ২২, ইভান্স ১৮, মাসাকাদজা ১৪, ন্যায়ামুরির ১, মুজারাবানি ০*; জনসন ৯-০-৪৪-১, বার্টলেট ৮-০-৪১-১, এলিস ৯.১-০-৩১-৫, রেনশ ৪-০-৩২-১, জ্যাম্পা ১০-০-৫৫-১, কনোলি ৪-০-২৩-১, পিক ১-০-৪-০)

ফল: অস্ট্রেলিয়া ৫৯ রানে জয়ী

ম্যান অব দা ম্যাচ: ম্যাট রেনশ

সিরিজ: ৩ ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে এগিয়ে অস্ট্রেলিয়া


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর