শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

চাকরি নয়, নিজেই কর্মসংস্থান: উল্লাপাড়ার নাঈমের শিল্পকর্মে বদলে যাচ্ছে জীবিকা

উল্লাপাড়া (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি: / ৪৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

চাকরির পেছনে না ছুটে নিজের দক্ষতা ও সৃজনশীলতাকে কাজে লাগিয়ে উদ্যোক্তা হয়েছেন সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার নাঈম হাসান। ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করে ছোট পরিসরে শুরু করা ফাইবার ও ভাস্কর্য তৈরির উদ্যোগ এখন পরিণত হয়েছে তার কর্মসংস্থানের অন্যতম উৎসে। তার কারখানায় কাজ করছেন বেশ কয়েকজন শ্রমিক। এতে নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি অন্যদেরও জীবিকার সুযোগ তৈরি হয়েছে।

উল্লাপাড়া উপজেলার ঢাকা-পাবনা মহাসড়কের বাখুয়া সিএনবি বাসস্ট্যান্ডসংলগ্ন এলাকায় গড়ে উঠেছে নাঈম হাসানের এই ব্যতিক্রমী কারখানা। সেখানে তৈরি হচ্ছে হাতি, ঘোড়া, বাঘ, হরিণ, পাখিসহ বিভিন্ন প্রাণীর ফাইবারের ভাস্কর্য ও নানা ধরনের শৌখিন সামগ্রী। দক্ষ কারিগরদের হাতে এসব পণ্য তৈরি হয়ে যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন এলাকায়।

নাঈম হাসান জানান, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর চাকরির পরিবর্তে নিজেই কিছু করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। প্রথমে অল্প পরিসরে কাজ শুরু করলেও ধীরে ধীরে তার উদ্যোগের পরিধি বাড়তে থাকে। বর্তমানে কয়েকজন শ্রমিক নিয়মিত তার প্রতিষ্ঠানে কাজ করছেন।
তিনি বলেন, ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ারিং শেষ করার পর চাকরি না করে নিজেই কিছু করার সিদ্ধান্ত নিই। প্রথমে ছোট পরিসরে শুরু করেছিলাম। এখন আমার প্রতিষ্ঠানে বেশ কয়েকজন শ্রমিক কাজ করছেন। আমার নিজের কর্মসংস্থানের পাশাপাশি আরও অনেক পরিবারের জীবিকা এই প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত।

কারখানার শ্রমিক রাকিব হোসেন জানান, আগে তাদের নিয়মিত কাজের সুযোগ ছিল না। বর্তমানে নাঈমের কারখানায় কাজ করে তারা পরিবার-পরিজন নিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছেন। স্থানীয়ভাবে এ ধরনের আরও শিল্পকারখানা গড়ে উঠলে বেকার তরুণদের কর্মসংস্থানের সুযোগ বাড়বে বলে মনে করেন তারা।

এ বিষয়ে, উল্লাপাড়া উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, বাখুয়া সিএনবি বাসস্ট্যান্ডের পাশে নাঈম হাসানের তৈরি বিভিন্ন প্রাণীর মূর্তি ও ভাস্কর্য তিনি দেখেছেন। তার জানা মতে, নাঈম ইঞ্জিনিয়ারিং পড়াশোনা শেষ করে চাকরি করলেও পরবর্তীতে নিজে উদ্যোক্তা হওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। অল্প পরিসরে শুরু করে তিনি ভালো করেছেন। ভবিষ্যতে মূলধনের প্রয়োজন হলে সমাজসেবা অফিসের পক্ষ থেকে সহযোগিতার সুযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।

স্থানীয়রা বলছেন, নাঈম হাসানের উদ্যোগ শুধু তার নিজের কর্মসংস্থানই তৈরি করেনি; স্থানীয় কয়েকজন মানুষেরও নিয়মিত আয়ের সুযোগ সৃষ্টি করেছে। সৃজনশীলতা ও কারিগরি দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে এমন উদ্যোগ তরুণদের স্বাবলম্বী হওয়ার পথ দেখাতে পারে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর