বগুড়ার শেরপুরে পারিবারিক কলহের জের ধরে গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে মুসা (৩৭) নামে এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন। মঙ্গলবার (১৩ অক্টোবর) দুপুরে শেরপুর থানা পুলিশ আইনি প্রক্রিয়া শেষ করে তাঁর মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করেছে। এর আগে সোমবার (১২ অক্টোবর) রাতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। নিহত মুসা উপজেলার কুসুম্বি ইউনিয়নের উত্তর আমইন হঠাৎপাড়া গ্রামের মৃত জয়নাল আবেদীনের ছেলে।
স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, নিহত মুসার সঙ্গে প্রতিবেশী এক গৃহবধূর পরকীয়া সম্পর্ক ছিল বলে গুঞ্জন ওঠে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যরা জানতে পারলে পরিবারের মধ্যে অসন্তোষ ও পারিবারিক কলহের সৃষ্টি হয়। গত রোববার রাতে মুসার বড় ভাই আব্দুর রদিশ আবু, ছোট ভাই মাহবুব ও মুসার স্ত্রীর উপস্থিতিতে তাঁকে এ বিষয়ে শাসন করেন।
পরিবারের শাসন সহ্য করতে না পেরে এবং অভিমান করে পরের দিন সোমবার সকালে মুসা ধান সংরক্ষণে ব্যবহৃত গ্যাস ট্যাবলেট খেয়ে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিষয়টি তাঁর স্ত্রী রুপালী টের পেয়ে চিৎকার শুরু করলে স্বজনেরা এগিয়ে আসেন। পরে তাঁকে মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার রাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে শেরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এস এম মঈনুদ্দীন বলেন, ঘটনার সংবাদ পেয়ে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে মঙ্গলবার দুপুরে মরদেহ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় থানায় একটি অপমৃত্যুর মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।