বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ০১:২৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ফেসবুকে মিথ্যা, মানহানিকর পোস্ট বিএনপি নেতার মামলা, সমন জারি সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও সাংবাদিকদের নিরাপত্তা নিশ্চিতের আহ্বান আরইউজের সিরাজগঞ্জে ট্রাকচাপায় প্রাণগেল দায়িত্বরত এটিএসআইয়ের জাতীয় নৃত্য প্রতিযোগিতায় রাজশ্রী প্রথম খেলোয়াড়দের ফিটনেস ও জীবনরক্ষাকারী দক্ষতা বাড়াতে বিকেএসপিতে বিশেষ কর্মশালা শেরপুরে যাত্রীবাহী বাস উল্টে আহত ১২, এক যাত্রীর হাত বিচ্ছিন্ন পল্লবীতে গোলাগুলি: ১৩ মামলার আসামি ‘টান আকাশ’ গ্রেফতার সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় গ্রাম আদালত বিষয়ে বার্ষিক ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত তেজগাঁও বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় অপরাধ দমনে অভিযান,গ্রেফতার ৭২ বিমানের কর্মকর্তার সহায়তায় নেপালের বোর্ডিংপাসে ইতালি যাত্রা, ধরা পড়ল জাল ভিসার চক্র
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন

অনলাইন ডেস্ক / ১২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন এবং পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান।

বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর মুহাম্মদ ইউনূসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এই অনুমোদন দেওয়া হয়। এদিন বিকালে রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক ব্রিফিংয়ে এই তথ্য জানান তিনি।

রিজওয়ানা হাসান জানান, পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট একটি পুলিশ কমিশন গঠন করার অধ্যাদেশ পাস করা হয়েছে। এই কমিশনের প্রধান থাকবে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের একজন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, জেলা ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে কাজ করেছেন— এমন গ্রেড ওয়ানের নিচে না এরকম কোনও সরকারি কর্মকর্তা, অতিরিক্ত পুলিশ মহাপরিদর্শক গ্রেড ওয়ানের নিচে নয়, এমন কোন অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, কোনও বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক তিনি কর্মরত হতে পারেন অবসরপ্রাপ্ত হতে পারেন, মানবাধিকার এবং সুশাসন বিষয়ে কাজ করেছে অন্তত ১৫ বছরের অভিজ্ঞতা আছে এমন ব্যক্তি এই কমিশনের সদস্য হবে। এই পুলিশ কমিশন গঠনের আমাদের উদ্দেশ্যটা হচ্ছে পুলিশকে জনবান্ধব, জনমুখী করা। এই কমিশন সরকারের সঙ্গে মিলে কাজ করবে। পুলিশ যেন প্রভাবমুক্ত হয়ে কাজ করতে পারে, সেই ব্যাপারে কী কী করণীয় এই বিষয়ে এই কমিশন সরকারকে সুপারিশ প্রদান করবে। পুলিশ যাতে মানবাধিকার সংবেদনশীল হয়, সে বিষয়ে পুলিশের আধুনিকায়ন কোথায় কোথায় দরকার, কী ধরনের প্রশিক্ষণ দরকার— এগুলো তারা চিহ্নিত করবে।


তিনি জানান, এই কমিশনের আরও দুটো গুরুত্বপূর্ণ কাজ হচ্ছে—

কমিশনের প্রধান কাজ হবে পুলিশের বিষয়ে নাগরিকদের যেসব অভিযোগ উঠবে, সেগুলোর তদন্ত করে নিষ্পত্তি করা।

পাশাপাশি, পেশাগত বিষয়ে পুলিশ সদস্যদের যেকোনো অভিযোগও কমিশনই যাচাই-বাছাই করে সমাধান করবে।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, এ দুইটি কাজই নতুন পুলিশ কমিশন অধ্যাদেশের মূল বৈশিষ্ট্য হিসেবে বিবেচিত।

এ ছাড়া পুলিশ কমিশনের জন্য আরও বেশ কিছু দায়িত্ব নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে—পুলিশের সার্বিক কার্যক্রমে দক্ষতা ও উৎকর্ষ বাড়াতে প্রয়োজনীয় সুপারিশ প্রদান, বাহিনীর শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পদক্ষেপ নেওয়া, নাগরিক অভিযোগ অনুসন্ধান ও নিষ্পত্তি, পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন সংকট নিরসনে উদ্যোগ গ্রহণ এবং পুলিশের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে তথ্যপ্রযুক্তি, প্রশিক্ষণ ও কল্যাণমূলক ব্যবস্থাপনা বিষয়ে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন।

কমিশন প্রয়োজনবোধে এসব কর্মপরিকল্পনা সরকারকে সুপারিশ আকারেও পাঠাবে। পাশাপাশি পুলিশ সংক্রান্ত বিভিন্ন আইন ও নীতিমালার গবেষণার ভিত্তিতে সংশোধন বা উন্নয়নের বিষয়ে সরকারকে পরামর্শ দেবে কমিশন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর