শুক্রবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৬, ০৬:১৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রেশম কারখানার উৎপাদন বাড়াতে সরকার নতুন পাওয়ার লুম চালু : ভূমিমন্ত্রী প্রতিটি ওয়ার্ডের নেতাকর্মীকে পুজা কমিটির পাশে থাকতে হবে -টুকু ঠিকাদার উধাও আড়াই বছর আটকে আছে খোকসার সংস্কার কাজ, বিপাকে চার ইউনিয়নের মানুষ খোকসায় আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রিপন হোসেনের শুভেচ্ছা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত সলঙ্গার হরিনচড়ায় ‘নিউ ফুড ভিলেজ’ হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্টের উদ্বোধন দুর্গাপুজার সময় বিদ্যুত বিভ্রাট হবে না বিদ্যুতমন্ত্রী টুকু হিন্দু ভাই-বোনরা বুক উঁচু করে চলবেন, পাশে আছি: হুইপ দুলু রাত পোহালেই শুরু হবে ষষ্ঠী পূজা; ৮৩৬ মন্ডপে বাঁজবে ঢাক ও কাঁশির শব্দ কাজিপুরে এলপিজি গ্যাস সিলিন্ডারের দুটি  দোকানে অর্থদণ্ড সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধনে জয়পুরহাটে উৎসবের আমেজ: মণ্ডপে মণ্ডপে ঢাকের কাঠি আর আরতির উল্লাস
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

শহজাদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হলো মালিক সনাক্ত না হওয়া নিবন্ধিত দলিল

জাহিদ হাসান মুন্না , শাহজাদপুর (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি : / ২৩৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে মালিক শনাক্ত করা সম্ভব না হওয়া বিপুল সংখ্যক নিবন্ধিত দলিল আনুষ্ঠানিকভাবে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (৪ডিসেম্বর) সকালে সাব রেজিস্ট্রি অফিস চত্তরে খোলা জায়গায় নিবন্ধিত দলিল পোড়ানোর কাজ সম্পন্ন করা হয়।

২০১৭ ও ২০১৮ সালে নিবন্ধিত দলিল ডেলিভারি না নেওয়ায় অফিসে জমে থাকা এসব দলিলের মালিকানা যাচাইয়ের জন্য একাধিকবার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হলেও নির্ধারিত সময়ে কেউ এগিয়ে না আসায় কর্তৃপক্ষ শেষ পর্যন্ত দলিলগুলো ধ্বংসের সিদ্ধান্ত নেয়।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা সাব-রেজিস্ট্রার মো: রবিউল ইসলাম এর উপস্থিতিতে বিশেষ কমিটির তত্ত্বাবধানে দলিলগুলো পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। এ সময় নথিগুলো গণনা ও যাচাইয়ের পর সরকারি নিয়ম মেনে আগুনে নষ্ট করা হয়।

শাহজাদপুর সাব-রেজিস্ট্রার মো. রবিউল ইসলাম বলেন, মালিকবিহীন দলিলগুলো সংরক্ষণের কোনো প্রয়োজনীয়তা বা যৌক্তিকতা না থাকায় এবং নিরাপত্তাজনিত ঝুঁকি এড়াতে এ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, “দীর্ঘ প্রক্রিয়া অনুসরণ করেই দলিল ধ্বংস করা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী নোটিশ প্রকাশ ও সময়সীমা দেওয়া হয়েছিল। মালিকদের কেউ উপস্থিত না হওয়ায় আমরা আইনি প্রক্রিয়ায় এগুলো বাতিল করি এবং ধ্বংস করি।”

এ ঘটনার সময় উপস্থিত স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তারা জানান, এসব মালিক না পাওয়া দলিল অনেক সময় দালালচক্রের অপব্যবহারের সুযোগ তৈরি করে। তাই নিয়মিতভাবে এ ধরনের নথি যাচাই ও প্রয়োজন হলে ধ্বংস করা জরুরি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর