শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বাবা ছিলেন জিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ছেলে হলেন তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী সিরাজগঞ্জের সিংহপুরুষ বিদ্যুৎমন্ত্রী টুকুর বর্ণাঢ্য জীবন আগের ‘বোঝা’য় পিষ্ট সরকার যেসব আমলে অর্থবহ হয় মাহে রমজান নলডাঙ্গায় অবৈধ পুকুর খননে কমেছে ৮০০ বিঘার বেশি কৃষি জমি রায়গঞ্জেে দাদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ভারপ্রাপ্ত প্রধানের অনৈতিকতা, বদলি আদেশ মাইকিং করে পরীক্ষা বন্ধ, ছাত্রদের কাছে চাঁদা তুলে আত্মসাতের অভিযোগ শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাজশাহী কেন্দ্রীয় কারাগারে রোজাদার বন্দিদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা রাজশাহীতে প্রতারণার মাধ্যমে জুলাই সনদ গ্রহণ ও অবৈধ ভাবে পত্রিকা প্রকাশের অভিযোগ নৌ-পুলিশের টানা অভিযানে ৫ দিনে ৪ কোটি ১৬ লাখ মিটার অবৈধ জাল জব্দ, গ্রেফতার ৬৪
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বাবা ছিলেন জিয়ার স্বাস্থ্যমন্ত্রী, ছেলে হলেন তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়সহ তিনটি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের সংসদ সদস্য ডা. এম এ মুহিত। অপর দুটি মন্ত্রণালয় হলো- ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়।  মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে তিনি নবগঠিত সরকারের প্রতিমন্ত্রী হিসেবেও শপথ নেন। 

 

এর আগে মন্ত্রিপরিষদ সচিব স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাকে বিষয়টি অবহিত করা হয়। প্রজ্ঞাপনে দেখা যায়, সরদার সাখাওয়াত হোসেন বকুলকে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী এবং ডা. মুহিতকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তিন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ার পর তিনি বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ে প্রথম অফিস করেন। সেখানে গিয়ে নাম ফলকে তার বাবার নাম দেখে আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন।

প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়া ডা. মুহিত সিরাজগঞ্জ-৬ (শাহজাদপুর) আসনের নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য। তার বাবা চক্ষু বিশেষজ্ঞ মরহুম অধ্যাপক ডা. এম এ মতিন পাঁচবারের এমপি এবং জিয়াউর রহমান সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী ছিলেন। বাবার আসনে প্রথমবারের মত সংসদ সদস্য হলেন তিনি। 

ডা. মুহিত আন্তর্জাতিক অঙ্গণে একজন স্বীকৃত গবেষক। তিনি লন্ডনের বিখ্যাত ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডন থেকে এমএসসি এবং লন্ডন স্কুল অব হাইজিন অ্যান্ড ট্রপিক্যাল মেডিসিন থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। বিশ্ববিখ্যাত সব জার্নালে তার ১৩০টিরও বেশি গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশ হয়েছে। এছাড়া তিনি ৩০টির বেশি আন্তর্জাতিক সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

ডা. মুহিতের স্বাস্থ্য ও জনসেবা কার্যক্রম আন্তর্জাতিক পরিমন্ডলেও বিস্তৃত। তিনি সিএসএফ গ্লোবালের প্রেসিডেন্ট হিসেবে বাংলাদেশ ছাড়াও ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নেপালে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন। এছাড়া তিনি জিএলএম-সিপিআর নেটওয়ার্কের অন্যতম নীতিনির্ধারক হিসেবে বিশ্বের ২৮টি দেশের ৮০টিরও বেশি সংস্থার নেতৃত্ব দিচ্ছেন। 

তৃণমূল পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে ডা. মুহিত ‘প্রফেসর মতিন আই কেয়ার সিস্টেমে’র মাধ্যমে ১১টি আধুনিক চক্ষু হাসপাতাল এবং শাহজাদপুরে একটি মা ও শিশু হাসপাতাল গড়ে তুলেছেন। তার প্রতিষ্ঠিত কেন্দ্রগুলো হাজার হাজার মানুষের অন্ধত্ব দূরীকরণ এবং মা ও শিশুর চিকিৎসায় বিশেষ ভূমিকা রাখছে।

ডা. মুহিতের বাবা ডা. মতিন ছিলেন বিশিষ্ট চক্ষুরোগ বিশেষজ্ঞ ও রাজনীতিবিদ। তিনি জিয়াউর রহমান ও এরশাদ সরকারের সময় পাবনা-২(শাহজাদপুর) আসন থেকে একাধিকবার এমপি নির্বাচিত হন। তিনি স্বাস্থ্য, স্বরাষ্ট্রসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। এরশাদ সরকারের আমলে উপ-প্রধানমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন। 

ডা. মতিন ১৯৭৯, ১৯৮৬, ১৯৮৮ ও ২০০১ সালের নির্বাচনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পেশাগত জীবনে তিনি একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞ হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর