বাংলাদেশের প্রতিবাদী ইতিহাসে শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদী এক অনন্য নাম। অন্যায়, অবিচার ও দমন-পীড়নের বিরুদ্ধে যিনি ছিলেন আপসহীন, নির্ভীক এবং স্পষ্টভাষী। তাঁর কণ্ঠস্বর শুধু ব্যক্তিগত প্রতিবাদে সীমাবদ্ধ ছিল না;
সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ছয় বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীর জানাজা রবিবার (২১ ডিসেম্বর) ঢাকা সেনানিবাসের কেন্দ্রীয় মসজিদে অনুষ্ঠিত হবে। এরপর তাদের নিজ নিজ ঠিকানায় হেলিকপ্টার যোগে প্রেরণ করে যথাযথ সামরিক মর্যাদায় তাদের
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদির জানাজা অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আজ দুপুর ২টায়। কিন্তু সকাল থেকেই জাতীয় সংসদের দক্ষিণ প্লাজায় ঢল নামতে শুরু করে মানুষের। এরই মধ্যে স্লোগানে স্লোগানে প্রকম্পিত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, ‘একটা মামলার জন্য কি হচ্ছে আমাদের ৩২ হাজার স্কুলের প্রধান শিক্ষক পদ শুন্য রয়েছে। আর প্রধান শিক্ষক পদ যদি
ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ও জুলাই যোদ্ধা শরিফ ওসমান হাদির জানাজা ঘিরে জাতীয় সংসদ ভবনসহ রাজধানীর বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজিবি মোতায়েন করা হয়েছে। শনিবার সীমান্ত রক্ষাকারী বাহিনীর এক বার্তায় এ তথ্য