সিরাজগঞ্জ পৌর রাণীগ্রামে বিবাদমান জমিতে বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করে নির্মানাধীন দেয়াল ভেঙ্গে ফেলেছে আব্দুল মজিদ মুন্সীর নেতৃত্বে একদল সন্ত্রাসী। ৪ ও ৫ ফেব্রুয়ারী দুদফায় প্রকাশ্যে শহরের রানীগ্রাম মহল্লায় এ ঘটনা ঘটনায় সন্ত্রাসীরা। দেয়াল ভেঙ্গে ফেলার ঘটনায় ভুক্তভোগী সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।

মামলা সূত্রে জানা যায়, সিরাজগঞ্জ পৌর রাণীগ্রাম মৌজায় ২৪ শতক জমির সীমানা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মৃত সোনাউল্লা সেখের ছেলে মো: দুলাল সেখের (৫৬) সাথে প্রতিবেশি মৃত বাহার সেখের ছেলে মো: আ: মজিদ মুন্সীর (৬২) সাথে বিবাদ চলছিল। এ অবস্থায় মৃত সোনাউল্লা সেখের ছেলে মো: দুলাল সেখ (৫৬) বাদী হয়ে মৃত বাহার সেখের ছেলে মো: আ: মজিদ মুন্সী (৬২) সহ ৪জনের নামে মোকাম-অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত, সিরাজগঞ্জে একটি মামলা দায়ের করে। এমআর মামলা নং২১৮/২০২৬। মামলা শুনানী শেষে বিষয়টি মিমাংসা না হওয়া পর্যন্ত নালিশী সম্পত্তিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বাদী ও বিবাদী পক্ষকে নির্দেশ দেয়া হয়। মামলা নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত কোন পক্ষ প্রবেশ করতে পারবে না এমনকি নালিশী সম্পত্তিতে আইন শৃঙ্খলা পরিপন্থী কোন কর্মকান্ডে লিপ্ত হলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

কিন্তু আসামী পক্ষ আদেশ অমান্য করে বিবাদী গত ৪ মে ও ৫ মে ২০২৬ইং তারিখে সকালে মৃত সোনাউল্লা সেখের ছেলে সন্ত্রাসী আব্দুল মজিদ মুন্সীর নেতৃত্বে মো: দুলাল সেখ (৫৬), মো: ইসরাইল হোসেনের ছেলে মো: আশরাফ আলী (২৫), মৃত সোনাউল্লাহ সেখের ছেলে মো: আ: জলিল (৫০), মৃত কুড়ানের ছেলে মোনারুল ইসলাম (৪২) ও মো: শুকুর আলী সেখের ছেলে মো: বুদ্দু সেখ ঘরবাড়িতে হামলা চালিয়ে নির্মানাধীন দেয়াল ভেঙ্গে ফেলে। এতে দুলাল সেখের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়।
ভুক্তভোগী দুলাল সেখ জানান, বিবাদী আ: মজিদ মুন্সী তার ভাড়াটিয়া গুন্ডাবাহিনী দিয়ে মহামান্য আদালতের আদালতের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে আমার বসতবাড়ীর দেয়াল ভাংচুর করেছে। এতে লক্ষাধিক টাকা ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। সন্ত্রাসীরা এলাকার কোন মুরুব্বীদেরও মানে না। এ অবস্থায় দ্রুত সন্ত্রাসীদের গ্রেফতারপুর্বক শাস্তি দাবী করছি। এছাড়াও সন্ত্রাসীরা আমাদেরকে নানাভাবে হুমকি প্রদান করছে।
তবে অভিযুক্ত আ: মজিদ মুন্সী বলেন, মামলার বাদী মো: দুলাল সেখ বিজ্ঞ আদালতের আদেশ অমান্য করে ঘরবাড়ি উত্তোলন করতেছিল। এ কারনে আমাদের লোকজন দেয়াল ভেঙ্গে ঘর উত্তোলন বন্ধ করে দিয়েছে।
এবিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিরাজগঞ্জ সদর থানার এএসআই (নিরস্ত) মো: রেজাউল করিম জানান, বিষয়টি নিয়ে লিখিত অভিযোগ দেয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপুর্বক ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।