পবিত্র রমজান উপলক্ষে দ্রব্য মূল্য সহনীয় পর্যায়ে রাখতে করণীয় বিষয়ে বনিক সমিতির নেতৃবৃন্দ , স্টেক হোল্ডার এবং বিভিন্ন বাজার কমিটির নেতৃবৃন্দের সাথে মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে কাজিপুর উপজেলা পরিষদ সম্মেলন কক্ষে এ মত বিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়।এতে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান।
মত বিনিময় সভায় বক্তব্য রাখেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) নাঈমা জাহান সুমাইয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পঃপঃ কর্মকর্তা ডাক্তার রাসেল, কৃষি অফিসার শরিফুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাক্তার দিদারুল আহসান, থানা অফিসার ইনচার্জ শাহ মোঃ এনায়েতুর রহমান, মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ ছাকমান আলী, মৎস্য অফিসার হাসান মাহমুদুল হক।
ফায়ার সার্ভিস ইনচার্জ মাসুদ পারভেজ,বীর মুক্তিযোদ্ধা গাজী আব্দুস সালাম, গাজী আব্দুর রশিদ তারা,উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির সভাপতি পরিমল কুমার তরফদার, কনজুমার এসোসিয়েশন অফ বাংলাদেশ কাজিপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আতিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম, সোনামুখি বনিক সমিতির সদস্য গোলাম মোক্তাদির,মেঘাই বনিক সমিতির পক্ষে ফজলে রাব্বি চঞ্চল প্রমুখ।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা বিভিন্ন দপ্তরের সরকারি কর্মকর্তাবৃন্দ,
বাজার বণিক সমিতির সহ বিভিন্ন বাজারের ব্যবসায়ীবৃন্দ।
মত বিনিময় সভায়, বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় দ্রব্য তেল, চাল, ডাল, এসবের দাম কি কারণে বাড়ছে, কিভাবে মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্য রাখা যায় সে সব বিষয় নিয়ে আলোচনা করা হয়। প্যাকেটের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি, মজুদ না করার জন্য ব্যবসায়ীদের নির্দেশ দেওয়া হয়। এসময় বনিক সমিতির পক্ষ থেকে বাজার মনিটরিং কাজে সহযোগিতা করবে বলে জানানো হয়। আর আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের সাথে মিলে ব্যবসায়ীরা কাজ করবে বলে জানানো হয়।
রমজান মাস শুরুর আগেই খাদ্যপণ্যসহ বিভিন্ন দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। ভোক্তাদের কথা বিবেচনায় রেখে খাদ্যপণ্য বিশেষ করে চাল ডাল, আট-ময়দা, চিনি, তেলের দাম যেন স্থিতিশীল রাখা হয় সে লক্ষে ব্যবসায়ীদের অনুরোধসহ সতর্ক করা হয়েছে। পবিত্র মাহে রমজান উপলক্ষে নিত্যপ্রয়োজনীয় ভোগ্যপণ্যের মূল্য স্থিতিশীল ও সহনীয় পর্যায়ে রাখার লক্ষ্যে বনিক সমিতি, ব্যবসায়ী, হোটেল মালিকসহ ব্যবসায়ীদের অনুরোধ পৃর্বক সতর্ক করে কাজিপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বলেন, রমজান মাসে মানুষের কষ্ট হয় এমন কোনো কাজ আপনারা করবেন না। বাজার স্থিতিশীল রাখবেন, তা না হলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।এছাড়াও দ্রব্য মূল্য সহনীয় পর্যায়ের রাখতে উপজেলা প্রশাসন নিয়মিত বাজার মনিটরিং ও ভ্রাম্যমাণ আদালত জোরদার করা,
রমজানে যেন কেউ সুযোগ না নেয়, সে জন্য, প্রতিদিন হাট-বাজার পরিদর্শন,
অতিরিক্ত দাম নিলে তাৎক্ষণিক শাস্তি,
ওজনে কম দেওয়া ও ভেজাল রোধ, মূল্য তালিকা বাধ্যতামূলক ও নজরদারি
উপজেলার প্রতিটি দোকানে— চাল, ডাল, তেল, চিনি, ছোলা, খেজুরসহ প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম টাঙানো নিশ্চিত করা, না মানলে জরিমানা করতে হবে। মজুদদারি ও কৃত্রিম সংকট কঠোরভাবে দমন,গুদাম ও আড়ত নিয়মিত চেক, গোপনে পণ্য জমালে আইনি ব্যবস্থাসহ
ন্যায্যমূল্যের বাজার কার্যক্রম বিস্তৃত করা
রমজানে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য—
কম দামে পণ্য সরবরাহে সহযোগিতা করা এবং টিসিবি এর ট্রাকসেল ও বিশেষ রমজান বিক্রয় কার্যক্রম তদারকি জোরদার করা।