বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ০৬:৪৫ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
জয়পুরহাটে নোংরা পরিবেশে খাদ্য উৎপাদন,৩ কারখানাকে জরিমানা জয়পুরহাটে পল্লী বিদ্যুতের লঙ্কাকাণ্ড, ৬১ হাজার টাকার বিল ১ হাজারে সারা জয়পুরহাটে হলুদে বাম্পার ফলনেও হাসি নেই  চাষিদের রাসিক মেয়র পদে রবিউল আলম মিলুকে চায় মহানগর বিএনপির একাংশ ডিজিএফআইয়ের হাল ধরলেন মেজর জেনারেল কায়ছার রশীদ চৌধুরী রায়গঞ্জে কৃষিজমির মাটি কাটায় ১৪ জনের কারাদণ্ড সাতটি ট্রাক জব্দ সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় ৭০ জন কৃষকের মাঝে স্প্রে মেশিন বিতরণ ফিতরার হার নির্ধারণ : জনপ্রতি সর্বনিম্ন ১১০, সর্বোচ্চ ২৮০৫ টাকা মরুভূমিতেও হবে সবুজ ফসল, চীনের নতুন আবিষ্কার ২০২৫ সালে এইচএসবিসির নিট আয় কমেছে ১.৮ বিলিয়ন ডলার
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

সূর্যের অতীত কেমন ছিল জানাল নাসা

অনলাইন ডেস্ক: / ৭ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬
- সংগৃহীত ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা এক তরুণ সূর্যসদৃশ তারার চারপাশে বিশাল গ্যাসের বুদবুদের স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে। এই তারার নাম এইচডি ৬১০০৫। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২০ আলোকবর্ষ।

নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি দিয়ে এই ছবি তোলা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানান, এই তরুণ তারা নিজের চারপাশে যে গ্যাসের খোলস তৈরি করেছে, তাকে বলা হয় ‘অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার’। তারার পৃষ্ঠ থেকে শক্তিশালী কণার ঝড় বা ‘পার্টিকল উইন্ড’ বের হয়। এই ঝড় চারপাশে গরম গ্যাস ছড়িয়ে দেয় এবং এক বিশাল বুদবুদ তৈরি করে। বুদবুদটি আশপাশের ঠান্ডা গ্যাস ও ধুলাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমাদের সূর্যেরও এমন একটি খোলস আছে। সেটিকে বলা হয় ‘হেলিওস্ফিয়ার’। এটি সূর্যের বাতাসে তৈরি হয় এবং পৃথিবীকে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে কিছুটা রক্ষা করে।
গবেষণার নেতৃত্ব দেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরি লিসে। তার গবেষণা ছাপা হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ। তিনি বলেন, এত দিন আমরা সূর্যের খোলস ভেতর থেকে বুঝেছি, বাইরে থেকে দেখা যায়নি। এবার এই নতুন তথ্য আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে, কোটি কোটি বছর আগে সূর্য কতটা সক্রিয় ছিল।

এইচডি ৬১০০৫ তারার বয়স প্রায় ১০ কোটি বছর। তুলনায় আমাদের সূর্যের বয়স প্রায় ৫০০ কোটি বছর। তরুণ হওয়ায় এই তারার কণার ঝড় সূর্যের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দ্রুত এবং প্রায় ২৫ গুণ ঘন।

এই তারাকে বিজ্ঞানীরা ‘মথ’ নামেও ডাকেন। কারণ, ইনফ্রারেড টেলিস্কোপে এর চারপাশের ধুলার আকার মথ পোকা’র ডানার মতো দেখা যায়। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপে দেখা গেছে, এই তারার আশপাশের পদার্থ আমাদের সূর্যের তুলনায় প্রায় এক হাজার গুণ বেশি ঘন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার আমাদের সূর্যের শৈশব ও ভবিষ্যৎ বুঝতে নতুন দিগন্ত খুলে দিল।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর