জয়পুরহাটে জয়পুর ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন। জেলা শহরের বেসরকারি জয়পুর ক্লিনিকে প্রসবের সময় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। কমিটিকে আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট-২০২৬) দুপুরে এ কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট-২০২৬) জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শিশুটির বাবা মোস্তাফিজুর রহমান কাজল এই বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা: মো: আল মামুন।
তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: সরদার রাশেদ মোবারককে। আর এক জন সদস্য হলেন,একই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা: নাসিমা আক্তার নীনা এবং অপর জন হলেন জেলার ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু,গাইনি) ডা: মোর্শেদা খাতুন স্বপ্না।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গাইনি চিকিৎসক নূর-উন নাহার নাজমীর পরামর্শে গত ৩ আগস্ট-২০২৬ সকাল ১১টার সময় প্রসবের জন্য কাজলের স্ত্রী মোছা: রহিমা খাতুনকে জয়পুর ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় তাকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কাজলের স্ত্রী দীর্ঘ সময় প্রসব বেদনায় কাতর থাকায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার জন্য চিকিৎসককে বারবার অনুরোধ করা শর্তেও তা না করে চিকিৎসক ও নার্সরা স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা চলমান রাখেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা চলে। একপর্যায় চিকিৎসক ও নার্স সহ ৪-৫জন কাজলের স্ত্রীর হাত-পা চেপে ধরে সিজারিয়ান অপারেশন না করে জোর করে স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে। টানাটানি করার কারণে নবজাতকের শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং জন্ম নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ করেন কাজল।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে আমার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জয়পুর ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলমকে মুঠো ফোনে ও তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি।
এবিষয়ে জয়পুরহাট জেলা সিভিল সার্জন ডা: মো: আল মামুন বলেন,চিকিৎসকের অবহেলার কারণে জয়পুর ক্লিনিকে নবজাতক সন্তানের মৃত্যুর লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। আর এ ঘটনায় ৩ সদস্যের একটি তদন্ত কমিটিও গঠন করা হয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানান এই কর্মকর্তা।জয়পুরহাটে জয়পুর ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন
ভিপি ডেস্ক: জয়পুরহাটে জয়পুর ক্লিনিকে নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন। জেলা শহরের বেসরকারি জয়পুর ক্লিনিকে প্রসবের সময় নবজাতকের মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার তদন্তে ৩ সদস্য বিশিষ্ট একটি কমিটি গঠন করেছেন জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়। কমিটিকে আগামী ৫ কর্মদিবসের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
রোববার (৯ আগস্ট-২০২৬) দুপুরে এ কমিটি গঠন করা হয়। এর আগে শনিবার (৮ আগস্ট-২০২৬) জেলার পাঁচবিবি উপজেলার কড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা ও শিশুটির বাবা মোস্তাফিজুর রহমান কাজল এই বিষয়ে জেলা সিভিল সার্জন বরাবরে লিখিত অভিযোগ করেন।এ বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিভিল সার্জন ডা: মো: আল মামুন।
তদন্ত কমিটির প্রধান করা হয়েছে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা: সরদার রাশেদ মোবারককে। আর এক জন সদস্য হলেন,একই হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (গাইনি) ডা: নাসিমা আক্তার নীনা এবং অপর জন হলেন জেলার ক্ষেতলাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সহকারী অধ্যাপক (ইনসিটু,গাইনি) ডা: মোর্শেদা খাতুন স্বপ্না।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে, গাইনি চিকিৎসক নূর-উন নাহার নাজমীর পরামর্শে গত ৩ আগস্ট-২০২৬ সকাল ১১টার সময় প্রসবের জন্য কাজলের স্ত্রী মোছা: রহিমা খাতুনকে জয়পুর ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ওই দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার সময় তাকে অপারেশন থিয়েটারে (ওটি) নেওয়া হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়েছে, কাজলের স্ত্রী দীর্ঘ সময় প্রসব বেদনায় কাতর থাকায় সিজারিয়ান অস্ত্রোপচার করার জন্য চিকিৎসককে বারবার অনুরোধ করা শর্তেও তা না করে চিকিৎসক ও নার্সরা স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা চলমান রাখেন। ঘটনার দিন সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টা চলে। একপর্যায় চিকিৎসক ও নার্স সহ ৪-৫জন কাজলের স্ত্রীর হাত-পা চেপে ধরে সিজারিয়ান অপারেশন না করে জোর করে স্বাভাবিক প্রসব করানোর চেষ্টার অভিযোগ উঠেছে চিকিৎসক ও নার্সদের বিরুদ্ধে। টানাটানি করার কারণে নবজাতকের শরীরে ক্ষত সৃষ্টি হয় এবং জন্ম নেওয়ার কিছুক্ষণ পরই শিশুটি মারা যায় বলে অভিযোগ করেন কাজল।
মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চিকিৎসকের অবহেলার কারণে আমার নবজাতক সন্তানের মৃত্যু হয়েছে। এঘটনায় সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। দোষীদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে জয়পুর ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক জাহাঙ্গীর আলমকে মুঠো ফোনে ও তার কার্যালয়ে পাওয়া যায়নি।