বৃহস্পতিবার, ২০ অগাস্ট ২০২৬, ০৫:৫৬ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

৫০ বছরের বেশি সময় ধরে তুর্কমেনিস্তানের ‘নরকের দরজা কীভাবে জ্বলছে?

অনলাইন ডেস্ক: / ৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২০ আগস্ট, ২০২৬
-সংগৃহীত ছবি

মরুভূমির ঠিক মাঝখানে বিশাল এক গর্ত। দিনরাত সেখানে জ্বলছে কমলা রঙের শিখা। দৃশ্যটি দেখলে মনে হতে পারে, এটি হয়তো কোনো কল্পবিজ্ঞান চলচ্চিত্রের অংশ। কিন্তু এটি একেবারেই বাস্তব। তুর্কমেনিস্তানের কারাকুম মরুভূমির এই গর্তটি বিশ্বজুড়ে ‘নরকের দরজা’ নামেই বেশি পরিচিত। সবচেয়ে অবাক করা বিষয় হলো, এই আগুন এত দীর্ঘ সময় ধরে জ্বলার কথা ছিল না!

রাজধানী আশগাবাত থেকে ২৬০ কিলোমিটার উত্তরের এই গর্তটির পেছনের গল্প বেশ চমকপ্রদ। ১৯৭১ সালে সোভিয়েত প্রকৌশলীরা এখানে প্রাকৃতিক গ্যাসের সন্ধানে খননকাজ চালাচ্ছিলেন। হঠাৎ মাটি ধসে খননযন্ত্রসহ পুরো এলাকাটি গর্তে পরিণত হয়। সেখান থেকে ক্রমাগত মিথেন গ্যাস ছড়াতে থাকে।

আশেপাশের গ্রামে গ্যাস ছড়ানো আটকাতে প্রকৌশলীরা গর্তটিতে আগুন ধরিয়ে দেন। তারা ভেবেছিলেন, কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই আগুন নিভে যাবে। কিন্তু সেই আগুন আজও জ্বলছে! এর কারণ, গর্তটির নিচেই রয়েছে বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ প্রাকৃতিক গ্যাসের খনি ‘আমু দারিয়া অববাহিকা’।

প্রায় ৭০ মিটার চওড়া ও ৩০ মিটার গভীর গর্তের আলো রাতে বহুদূর থেকেও দেখা যায়। এটি এখন বিশ্বের অন্যতম পর্যটন আকর্ষণে পরিণত হয়েছে। ২০১৩ সালে অভিযাত্রী জর্জ কৌরউনিস মাটি পরীক্ষার জন্য গর্তের ভেতরেও নেমেছিলেন। গ্যাস অপচয় ও পরিবেশের ক্ষতির কথা ভেবে সরকার ২০১০ এবং ২০২২ সালে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। কিন্তু কোনো চেষ্টাই সফল হয়নি। ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও ‘নরকের দরজা’ এখনো আপন মনে জ্বলছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর