শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ০৫:৫৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কামারখন্দ প্রেসক্লাবে সুপার কম্পিউটার উপহার দিলেন মেশিন সলিউশনস টেকনোলজির পরিচালক সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে চন্দনগাঁতী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মূল ফটকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন সিরাজগঞ্জের সলঙ্গায় পূজা উদযাপন কমিটির সঙ্গে থানা পুলিশের মতবিনিময় কালিয়াকৈরে বন বিভাগের গজারি বন উজাড়, রাতের আঁধারে গাছ কাটল দুর্বৃত্তরা লালবাগে বিভাগের অপরাধপ্রবণ এলাকায় পুলিশের অভিযান, গ্রেফতার ৫৯ সিরাজগঞ্জে হাসপাতালে ভর্তি নারীকে শ্লীলতাহানির অভিযোগ ওয়ার্ডবয়ের বিরুদ্ধে তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টার ৮৯ আসামি গ্রেফতার চতুর্থ শ্রেণি থেকে বাধ্যতামূলক হচ্ছে খেলাধুলার বই: প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক সুন্দরবন বাঁচিয়ে ইকো-ট্যুরিজম রক্ষার আকুতি: প্রধানমন্ত্রীকে খোলা চিঠি উদ্যোক্তাদের নওগাঁয় কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে নিম্নমানের ইট-বালু ব্যবহারের অভিযোগ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বরফ গলে যাওয়ায় গ্রিনল্যান্ডের সামুদ্রিক অঞ্চলে চলে আসছে বিশাল তিমি

অনলাইন ডেস্ক: / ৫০ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৯ আগস্ট, ২০২৬
-সংগৃহীত ছবি

পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সমুদ্র থেকে দ্রুত গলে যাচ্ছে বরফ, আর এর প্রভাব পড়ছে সামুদ্রিক জীববৈচিত্র্যে। বরফ গলে যাওয়ার ফলে বিশালাকৃতির তিমিরা এখন এমন সব এলাকায় প্রবেশ করছে, যেখানে আগে কখনো তাদের দেখা মেলেনি—দীর্ঘ কয়েক দশকের গবেষণায় উঠে এসেছে এমন তথ্য।

গবেষণায় দেখা গেছে, গ্রীষ্মকালে বরফমুক্ত উপকূলীয় পানিতে হাম্পব্যাক, মিংকে ও ফিন তিমির মতো বিশ্বের বৃহৎ তিমিগুলো স্বচ্ছন্দে খাদ্য সংগ্রহ করছে। আগে বরফে আচ্ছাদিত থাকার কারণে এসব অঞ্চলে তাদের প্রবেশ সম্ভব ছিল না। তবে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবে সমুদ্রের তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও বরফ গলতে থাকায় এই সামুদ্রিক স্তন্যপায়ী প্রাণীরা নতুন পরিবেশের সঙ্গে দ্রুত মানিয়ে নিচ্ছে।

বিজ্ঞানীরা এই ঘটনাকে মৌসুমি আর্কটিক ফিডিং ফ্রেঞ্জি বা খাদ্যের জন্য হুড়োহুড়ির সঙ্গে তুলনা করেছেন। পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের সামুদ্রিক পরিবেশের যে বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটছে, এটি তারই একটি অংশ। এই পরিবর্তনকে অত্যন্ত নাটকীয় বলা হচ্ছে। ২০০৬ সাল পর্যন্ত এই অঞ্চলে জরিপে একটিও হাম্পব্যাক তিমির দেখা মেলেনি। ২০০৭ সালে সাতটি হাম্পব্যাক তিমি দেখা গিয়েছিল। পূর্ব গ্রিনল্যান্ড উপকূলের বেইলিন হোয়েল দলে ফিন, মিংকে এবং হাম্পব্যাক তিমি অন্তর্ভুক্ত। এসবের প্রথম নিয়মতান্ত্রিক আকাশপথে জরিপ গবেষকেরা ২০১৫ ও ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালে পরিচালনা করেন।

তারা এই তথ্যের সঙ্গে স্যাটেলাইট-ট্যাগযুক্ত ১৫টি তিমির গতিপথ এবং ইনুইট শিকারিদের সাক্ষ্য একসঙ্গে মিলিয়ে একটি সামগ্রিক চিত্র দাঁড় করিয়েছেন। এ বিষয়ে গবেষক অধ্যাপক ম্যাডস পিটার হেইডে-জর্জিংসেন বলেন, ২০২৪ সালের গ্রীষ্মকালে প্রায় ৪ হাজার হাম্পব্যাক তিমি, ৬ হাজার ফিন তিমি এবং ৬ হাজার মিংকে তিমি গ্রিনল্যান্ড সাগরে প্রবেশ করেছে। গ্রিনল্যান্ড ইনস্টিটিউট অব ন্যাচারাল রিসোর্সেসের অধ্যাপক হেইডে-জর্জিংসেন বলেন, এই অঞ্চলের পরিবর্তনগুলো সম্ভবত উপমেরু অঞ্চলের যেকোনো জায়গার তুলনায় সবচেয়ে বেশি হয়েছে। এই পরিবর্তনের মূল কারণ হলো সমুদ্রের উষ্ণতা বৃদ্ধি এবং খাদ্যের প্রাপ্যতা। উষ্ণ হয়ে ওঠা পূর্ব গ্রিনল্যান্ডের পানিতে যেসব মাছ চলে এসেছে, তিমিগুলো মূলত সেগুলোই খাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে।

গবেষকদের তথ্য অনুযায়ী, গ্রীষ্মকালীন খাদ্য গ্রহণের মৌসুমে এই তিন প্রজাতির তিমি কমপক্ষে ৮ লাখ টন মাছ ও ক্রিল খেয়ে ফেলবে। যদিও কিছু তিমি উষ্ণ পানির সুফল পাচ্ছে, তবে নারহ্বালের মতো আর্কটিকের নিজস্ব প্রজাতিগুলো তাদের আবাসস্থল হারাচ্ছে। এই পরিবর্তনের ফলে তিমিগুলোর সামগ্রিক সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে, নাকি অন্য এলাকা থেকে কেবল তাদের স্থানচ্যুতি ঘটেছে, এই গবেষণা থেকে তা স্পষ্ট নয়।

বিশেষজ্ঞরা আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন, পশ্চিম গ্রিনল্যান্ড থেকে এই প্রাণীদের একটি দল সরে গেছে। গ্রিনল্যান্ডের জন্য বিষয়টি বেশ সংবেদনশীল, কারণ দেশটির কিছু অঞ্চলে তিমি শিকার করা হয়। সূত্র: বিবিসি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর