রাসুলুল্লাহ (সা.) ছিলেন ভারসাম্যের সর্বশ্রেষ্ঠ আদর্শ। তিনি ছিলেন বাড়াবাড়ি ছাড়া আল্লাহর বান্দা, কঠোরতা ছাড়া নেতা এবং কৃত্রিমতা ছাড়া শিক্ষক ও প্রশিক্ষক। তাঁর জীবন গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে বোঝা যায়, জীবনের সব আরও পড়ুন
অত্যন্ত বরকতপূর্ণ ও শক্তিশালী একটি শব্দ হলো ‘আল্লাহু আকবার’। ‘আল্লাহু আকবার’ ধ্বনিতে মুমিনের ঈমানি শক্তি বৃদ্ধি পায়। মহান আল্লাহর বিশেষ রহমত লাভেরও একটি মাধ্যমে হলো তাঁর বড়ত্ব ও মহিমা ঘোষণা
আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের জন্য রহমত লাভের যেসব উপায় রেখেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি হলো বেশি বেশি আল্লাহর জিকির ও দোয়া করা। তাই অনেক সময় অল্প কয়েকটি শব্দের একটি
মানুষের সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মান হলো সে আল্লাহ তাআলার বান্দা বা ‘আব্দ’ হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করা। বান্দা যত বেশি আল্লাহর দাসত্বকে বাস্তবায়ন করবে, ততই তার পূর্ণতা বৃদ্ধি পাবে এবং তার
প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রায় সময় সাহাবায়ে কেরামকে নসিহত করতেন। মূল্যবান উপদেশ দান করতেন। এসব উপদেশ প্রত্যেক মানুষের জীবনের জন্য খুবই জরুরি। যে প্রিয় নবী (সা.)-এর এসব উপদেশ ও
মহান আল্লাহ আমাদের অসংখ্য নিয়ামত দান করেছেন। এসব নিয়ামতের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামত হলো খাদ্য। খাদ্য মানুষের জীবনধারণের ভিত্তি, শরীরের পুষ্টির উপায় এবং শক্তি ও সামর্থ্যের উৎস। আল্লাহ তাআলা আমাদের
শাফাআত শব্দের আভিধানিক অর্থ হলো কোনো একক বিষয়কে অন্য কিছুর সঙ্গে যুক্ত করে জোড়া বানানো। পারিভাষিক অর্থে শাফাআত হলো অন্য কারো জন্য কোনো উপকার লাভ করে দেওয়া অথবা কোনো ক্ষতি