আত্মার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত ব্যক্তিকে আত্মীয় বলা হয়। এটি রক্তের সম্পর্কের ক্ষেত্রে যেমন হতে পারে, তেমন বৈবাহিক সম্পর্কের কারণেও হতে পারে। ইসলামে আত্মীয়তা বিশেষত রক্তের সম্পর্ক বজায় রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করা আরও পড়ুন
ধন-সম্পদ মহান আল্লাহর নিয়ামত। পৃথিবীতে বেঁচে থাকার জন্য মানুষকে সম্পদ অর্জন করতে হয়। কিছু ইবাদত ফরজ হওয়ার সঙ্গেও সম্পদের সম্পর্ক রয়েছে। কিন্তু সম্পদ অর্জনই জীবনের একমাত্র লক্ষ্য নয়। আবার সম্পদ
ইমান একজন মুসলমানের সবচেয়ে মূল্যবান সম্পদ এবং ইহকালীন শান্তি ও পরকালীন মুক্তির একমাত্র সনদ। ইমানহীন মানুষ লক্ষ্যহীন, উদ্ভ্রান্ত ও দুর্ভাগ্যগ্রস্ত। ইমান যেমন মহামূল্যবান, তেমনি অত্যন্ত সংবেদনশীলও। এটি অর্জন করা যেমন পরম
মানুষের মধ্যে স্বভাবগতভাবেই দুর্বলতা বিদ্যমান। তাই তারা কখনোই সম্পূর্ণভাবে ভুল থেকে মুক্ত থাকতে পারে না। মানুষের মধ্যে কামনা-বাসনা, ক্রোধ, হিংসা ও নানা প্রবৃত্তি রয়েছে। ফলে তারা কখনো না কখনো ভুল
পশুত্বের স্বভাবের মানুষ নানা পশুর নামেই সম্বোধিত! গাছের নামও এখানে যুক্ত হয়। যেমন—অর্জুন, বট, চুতরাপাতা, কচু, কলাগাছ, তালগাছ ইত্যাদি। কিছু মানুষ ওই গাছের মতো যার ছায়াও নেই, ফলও নেই! কিছু মানুষের
মানুষ সমাজবদ্ধ জীব। সমাজ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে মানুষের জীবনযাপন প্রায় অসম্ভব। সামাজিক জীবনের একটি অপরিহার্য অনুষঙ্গ আত্মীয়তা। মানুষ বিভিন্নভাবে আত্মীয়তার বন্ধনে জড়িয়ে পড়ে। আত্মীয়স্বজনের মাঝে সৌহার্দ-সম্প্রীতি তৈরি হয়। আবার অনেক
ইবনু আবি মুলায়কাহ (রা.) থেকে বর্ণিত, দুজন নারী একটি ঘর কিংবা একটি কক্ষে সেলাই করছিল। হাতের তালুতে সুই বিদ্ধ হয়ে তাদের একজন বেরিয়ে পড়ল এবং অপরজনের বিরুদ্ধে সুই ফুটিয়ে দেওয়ার
আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের জন্য রহমত লাভের যেসব উপায় রেখেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি হলো বেশি বেশি আল্লাহর জিকির ও দোয়া করা। তাই অনেক সময় অল্প কয়েকটি শব্দের একটি