দিনভর রোজার রাখার পর শরীর দ্রুত পানিশূন্য হয়ে যায়। সারাদিন রোজা শেষে ইফতারে শরীরকে সতেজ ও চাঙ্গা রাখতে অবশ্যই স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিকর পানীয় গ্রহণ করা উচিত। পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যসম্মত কিছু পানীয় শরীরকে দ্রুত সতেজ করে এবং পানিশূন্যতা দূর করতে সাহায্য করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক ইফতারে রাখতে পারেন যেসব পানীয়-
লেবুর শরবত
সহজলভ্য ও সতেজ পানীয় হিসেবে লেবুর শরবত অন্যতম। ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ এই পানীয় শরীরের ক্লান্তি দূর করে এবং হজমে সহায়তা করে। অতিরিক্ত চিনি না দিয়ে মধু বা সামান্য লবণ ব্যবহার করলে আরও উপকারী।
ডাবের পানি
প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইটে ভরপুর ডাবের পানি রোজার পর শরীরের পানির ঘাটতি দ্রুত পূরণ করে। এটি শরীর ঠান্ডা রাখতেও কার্যকর।
ফলের স্মুদি বা মিল্কশেক
কলা, খেজুর, আম বা স্ট্রবেরি দিয়ে তৈরি স্মুদি শরীরে দ্রুত শক্তি জোগায়। দুধ ও ফলের সংমিশ্রণ পুষ্টিগুণ বাড়ায় এবং দীর্ঘ সময় শক্তি ধরে রাখতে সাহায্য করে।
খেজুর ও দুধের শরবত
ইফতারে খেজুর খাওয়ার প্রচলন থাকলেও খেজুর ব্লেন্ড করে দুধের সঙ্গে পান করলে তা আরও পুষ্টিকর হয়। এতে প্রাকৃতিক চিনি থাকায় দ্রুত শক্তি পাওয়া যায়।
তোকমা বা চিয়া বীজের শরবত
তোকমা বা চিয়া বীজ পানিতে ভিজিয়ে শরবত তৈরি করলে তা শরীর ঠান্ডা রাখে এবং দীর্ঘ সময় পানিশূন্যতা কমায়। তাই ইফতারে তোকমা বা চিয়া বীজের শরবত রাখতে পারেন।
সবজি বা ডাল স্যুপ
এমন অনেকে আছেন যারা হালকা কিছু দিয়ে ইফতার শুরু করতে চান, তাদের জন্য স্যুপ হতে পারে ভালো বিকল্প। স্যুপ হজম এবং পেটের জন্য আরামদায়ক।