অ্যাপল তাদের বেশ কিছু জনপ্রিয় পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। তথ্য সংরক্ষণের চিপ এবং অন্যান্য যন্ত্রাংশের তীব্র সংকটের কারণে বিশ্বজুড়ে ম্যাকবুক, আইপ্যাড ও ঘরের কাজে ব্যবহৃত যন্ত্রগুলোর দাম অনেকটা বাড়ানো হয়েছে। তবে আইফোনের দাম আপাতত বাড়ানো হয়নি।
তাদের নতুন ল্যাপটপ ম্যাকবুক নিও-এর দাম ৫৯৯ থেকে বেড়ে ৬৯৯ ডলার হয়েছে। ম্যাকবুক এয়ারের দাম ১,০৯৯ থেকে বেড়ে ১,২৯৯ ডলার এবং ১৪ ইঞ্চি ম্যাকবুক প্রোর দাম ১,৬৯৯ থেকে বেড়ে ১,৯৯৯ ডলার করা হয়েছে। একইভাবে ১১ ইঞ্চি আইপ্যাড প্রো ও মাঝারি মানের আইপ্যাড এয়ারের দামও বেড়েছে। এছাড়া হোমপড স্পিকারের দাম ২৯৯ থেকে ৩৪৯ ডলার এবং অ্যাপল টিভির দাম ১২৯ থেকে ১৯৯ ডলার করা হয়েছে।
অ্যাপল জানিয়েছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রসারের ফলে তথ্যকেন্দ্র বা ডেটা সেন্টারের পরিসর অনেক বেড়েছে। তাই স্মৃতি সংরক্ষণের যন্ত্রাংশের (মেমোরি ও স্টোরেজ) চাহিদাও অস্বাভাবিকভাবে বেড়েছে। ফলে এসব যন্ত্রাংশের দাম খুব দ্রুত বেড়ে গেছে। এতদিন গ্রাহকদের এই বাড়তি দাম থেকে রক্ষা করা হলেও, বাধ্য হয়েই এখন পণ্যের দাম বাড়াতে হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটিকে। সমস্যা সমাধানে তারা প্রতিনিয়ত কাজ করে যাচ্ছে।
অ্যাপলের বর্তমান প্রধান নির্বাহী টিম কুক গত এপ্রিলেই এমন সংকটের বিষয়ে সতর্ক করেছিলেন। আগামী ১ সেপ্টেম্বর তার স্থলাভিষিক্ত হবেন নতুন প্রধান নির্বাহী জন টার্নাস। মেমোরি সংকট তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হবে। যন্ত্রাংশের অভাবে ম্যাক স্টুডিওর মতো পণ্য আনতেও দেরি হচ্ছে।
এদিকে সংকট না থাকলেও প্রধান চালিকাশক্তি বা প্রসেসরের ঘাটতির কারণে আইফোন উৎপাদনে কিছুটা প্রভাব পড়েছে। আগামী সেপ্টেম্বরে বাজারে নতুন আইফোন আসার কথা রয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ডলারের বেশি দামের একটি ফোল্ডেবল ফোনও থাকতে পারে।