বিশ্বকাপের ফাইনালে বদলি হিসেবে খেলতে নামেন আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস। ম্যাচ শেষে মেজাজ হারিয়ে স্পেনের এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে বাগবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন তিনি। দুজনের বিবাদের মধ্যে হস্তক্ষেপ করতে যান গাভি।
একপর্যায়ে স্প্যানিশ এই মিডফিল্ডারকেই পারেদেসের ক্ষোভের মূল শিকার হতে হয়। ঝগড়ার একপর্যায়ে গাভিকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন পারেদেস। এমন ঘটনার পর ফিফা থেকে তদন্তও শুরু হয়েছে। তবে পারেদেসের ক্ষুব্ধ আচরণের জন্য তাকে নিষিদ্ধ করা উচিত নয় বলে মনে করেন স্পেনের গাভি।
ফিফা জানিয়েছে, তারা একজন প্রসিকিউটরের মাধ্যমে বিষয়টি তদন্ত করাবে। এরপরও গাভি বলেছেন, পারেদেসের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা ঠিক হবে না। স্পেনের স্থানীয় একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপচারিতায় গাভি বলেন,আমার মনে হয় না তাকে নিষিদ্ধ করা উচিত। আমি বুঝি শিশুদের সামনে এটি ভালো কোনো দৃষ্টান্ত নয়, তবে ফুটবলের একটা দিক এমনও আছে যা কিছুটা বেশি শারীরিক ও আক্রমণাত্মক।
তিনি উল্লেখ করেন, সবচেয়ে যৌক্তিক পদক্ষেপ হতো ম্যাচের মধ্যেই তাকে মাঠ থেকে বের করে দেওয়া। বিষয়টি ওখানেই শেষ হয়ে যেত। দিনশেষে আমার মতে এসবই ফুটবলের অংশ এবং খেলাটা এমনই হওয়া উচিত।
সতীর্থ এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে একটি বিবাদে হস্তক্ষেপ করতে গিয়ে গাভি এই ঘটনায় জড়িয়ে পড়েন। ম্যাচের পর পারেদেসকে এই ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেন, ম্যাচের পর আমি তাদের সঙ্গে কথা বলছিলাম। তাদের সতীর্থরা আক্রমণাত্মক হওয়ায় পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। তাদের এভাবে শারীরিক হওয়ার কোনো প্রয়োজন ছিল না। এটা ছিল ছেলেমানুষি।