রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৮:০৭ অপরাহ্ন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

এবার বিয়ের আসরেও ‘ভাইকিং রো’তে মাতালেন হালান্ড

অনলাইন ডেস্ক: / ৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৬
- সংগৃহীত ছবি

নরওয়ের তারকা স্ট্রাইকার আর্লিং হালান্ড এবার শিরোনামে এসেছেন মাঠের পারফরম্যান্সের জন্য নয়, বরং ইতালিয়ান গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোনারুমার বিয়ের অনুষ্ঠানে ব্যতিক্রমী উপস্থিতির কারণে। ড্রাম বাজিয়ে অতিথিদের সঙ্গে জনপ্রিয় ‘ভাইকিং রো’ উদ্‌যাপনের নেতৃত্ব দেন হাল্যান্ড, যা মুহূর্তেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়।

ইতালির ফাসানো শহরে দীর্ঘদিনের সঙ্গী আলেসিয়া এলেফান্তেকে বিয়ে করেন দোনারুমা। তারকাখচিত এই আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন ম্যানচেস্টার সিটির কোচ পেপ গার্দিওলা, ইতালির কিংবদন্তি পাওলো মালদিনি, সান্দ্রো তোনালি ও নিকোলো বারেল্লাসহ ফুটবল বিশ্বের পরিচিত অনেক মুখ।

বিয়ের আসরের সবচেয়ে আলোচিত মুহূর্ত হয়ে ওঠে হালান্ডের নেতৃত্বে ‘ভাইকিং রো’। ড্রামের তালে তালে অতিথিদের নিয়ে নরওয়ের সেই বিখ্যাত উদ্‌যাপন করেন তিনি, যা বিশ্বকাপের পর আবারও নতুন করে নজর কাড়ে।

২০২৬ সালের ফিফা বিশ্বকাপে ‘ভাইকিং রো’ নরওয়ের সমর্থকদের অন্যতম পরিচিত উদ্‌যাপনে পরিণত হয়। দলের প্রতিটি জয়েই গ্যালারিতে এই ছন্দময় উদ্‌যাপন দেখা যায়, পরে ফুটবলাররাও মাঠে সমর্থকদের সঙ্গে একই ভঙ্গিতে আনন্দ ভাগ করে নেন।

বিশ্বকাপ চলাকালে নিউইয়র্কের টাইমস স্কয়ারেও হাজারো সমর্থক একসঙ্গে ‘ভাইকিং রো’ করে বিশ্বজুড়ে আলোচনার জন্ম দিয়েছিলেন। পরবর্তীতে ফিফাও এটিকে টুর্নামেন্টের অন্যতম আকর্ষণীয় সমর্থক-সংস্কৃতি হিসেবে তুলে ধরে।

নরওয়ের ইতিহাস গড়া সেই বিশ্বকাপ অভিযানে ‘ভাইকিং রো’ আরও বেশি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। প্রথমবারের মতো দলটি কোয়ার্টার ফাইনালে জায়গা করে নেয়। শেষ ষোলোতে পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারানোর ম্যাচে জোড়া গোল করেন হালান্ড। ঐতিহাসিক সেই জয়ের পর সতীর্থদের নিয়ে মাঠেই ‘ভাইকিং রো’ উদ্‌যাপন করেন তিনি।

বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পরও ‘ভাইকিং রো’র জনপ্রিয়তা কমেনি। এবার দোনারুমার বিয়ের অনুষ্ঠানে হাল্যান্ডের নেতৃত্বে সেই উদ্‌যাপন প্রমাণ করল, এটি এখন শুধু ফুটবল মাঠের নয়, নরওয়ের ক্রীড়া সংস্কৃতি ও জাতীয় পরিচয়েরও এক প্রতীক হয়ে উঠেছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর