রাজধানীর পল্লবী থানা এলাকায় বিএনপি নেতা আলমগীর হোসেনকে (৪৫) গুলি করে হত্যাচেষ্টার মামলায় মো. রুবেল ওরফে ল্যাংড়া রুবেলসহ পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) মিরপুর বিভাগ এই পাঁচ ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে। পুলিশ বলছে, এ মামলার প্রধান আসামি রুবেল।
ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান গণমাধ্যমকে বলেন, গত সোমবার দিবাগত রাতে সাভার, গাজীপুর ও কুষ্টিয়ার বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতার অন্য চার ব্যক্তি হলেন বাপ্পা ওরফে শাকিল, হামিদুর ওরফে মাখন, পারভেজ ও রাব্বি।
ডিবির মিরপুর বিভাগের উপকমিশনার মোহাম্মদ রাকিব খান আরও বলেন, গ্রেফতার ব্যক্তিদের কাছ থেকে একটি পিস্তল, দুটি গুলি, দুটি ম্যাগাজিন, ঘটনার সময় ব্যবহৃত একটি প্রাইভেট কারসহ দুটি গাড়ি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া তাঁদের কাছ থেকে এক হাজার ইয়াবা বড়ি উদ্ধার করা হয়েছে।
ডিএমপির ডিবির এই কর্মকর্তা বলেন, গুলির ঘটনার পর এই আসামিরা ঢাকার বাইরে পালিয়ে যান। পরে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাঁদের অবস্থান শনাক্ত করে গ্রেফতার করা হয়।
গত শুক্রবার বিকেলে আলমগীর মিরপুর–১১ নম্বর সেকশনের ‘বি’ ব্লকের একটি চায়ের দোকানে আড্ডা দিচ্ছিলেন। এ সময় দুর্বৃত্তরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে আলমগীর ও এক পথচারী নারী আহত হন।
চিকিৎসাধীন আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেন, একটি প্রাইভেট কার থেকে চারজন সন্ত্রাসী নেমে তাঁকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালান। এরপর তাঁরা আবার একই গাড়িতে উঠে পালিয়ে যান। হামলাকারী দুজনকে তিনি চিনতে পেরেছেন। তাঁরা হলেন যুবলীগের রুবেল ও বাপ্পা।
আলমগীর ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) ২৩ নম্বর ওয়ার্ড বিএনপির সদস্য। এ ঘটনায় তাঁর স্ত্রী বাদী হয়ে পল্লবী থানায় মামলা করেন।