বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৪:১৮ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
খাগড়াছড়িতে দুর্যোগের ঝুঁকি কমাতে সমন্বয় সভা ইচ্ছে করেই পেনাল্টির গোল ঠেকালেন না আর্জেন্টাইন গোলরক্ষক জাপানের কাছে হেরে কাবাডিতে পদক হাতছাড়া বাংলাদেশের জিনপিংয়ের কাছে আসলে কী চান ট্রাম্প? বাংলাদেশ-ভারত যৌথ আয়ুর্বেদ গবেষণা কেন্দ্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান ভারতীয় হাইকমিশনারের ফ্যাসিবাদের উত্থান হলে কেউ রক্ষা পাবে না: রিজভী জলাতঙ্কমুক্ত বাংলাদেশ: এবার সমন্বিত উদ্যোগকে এগিয়ে নিতে হবে ইংলিশ মিডিয়াম শিক্ষার্থীদের টিউটর খোঁজায় নতুন অ্যাপ মূল্যস্ফীতি ও কৃষি উৎপাদন বিবেচনায় জ্বালানি মূল্যনীতি পুনর্বিন্যাস করুন : মঞ্জু পরীক্ষা শেষে জানুয়ারিতে স্থানীয় সরকার নির্বাচন : ইসি আনোয়ারুল
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

জিনপিংয়ের কাছে আসলে কী চান ট্রাম্প?

অনলাইন ডেস্ক: / ২৮ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৬

এক দশকেরও বেশি সময় পর যুক্তরাষ্ট্রের মাটিতে পা রাখলেন চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। জয়েন্ট বেস অ্যান্ড্রিউজ বিমানবন্দরে ট্রাম্পের স্বশরীরে উপস্থিত থেকে অভ্যর্থনা জানানো আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক অঙ্গনে নতুন বার্তা দিচ্ছে। সাধারণত হোয়াইট হাউসে রাষ্ট্রপ্রধানদের স্বাগত জানানো হলেও জিনপিংয়ের জন্য ট্রাম্পের এই বিশেষ আয়োজন দৃশ্যত বড় তাৎপর্য বহন করে। কেবল বিমানবন্দরে অভ্যর্থনাই নয় রাজকীয় এই সফরে রয়েছে প্রযুক্তি জগতের শীর্ষ ব্যক্তিত্বদের নিয়ে নৈশভোজ, হোয়াইট হাউসে সামরিক সম্মাননা এবং ন্যাশনাল আর্কাইভস পরিদর্শনের মতো বর্ণাঢ্য সব আয়োজন।

গত মে মাসে বেইজিংয়ে ট্রাম্পের চীন সফরের ঠিক বিপরীত চিত্র দেখা যাচ্ছে এবার। সেবার শি জিনপিং ট্রাম্পকে বিমানবন্দর থেকে গ্রহণ করেননি এবং সফরটি কোনো আনুষ্ঠানিক চুক্তি বা যৌথ সংবাদ সম্মেলন ছাড়াই শেষ হয়েছিল। তবে এবার মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে মধ্যবর্তী নির্বাচন ঘনিয়ে আসার মধ্যে দিয়ে ট্রাম্পের ওপর অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক চাপ বেড়েই চলেছে। ইরানের সংকট এবং বিশ্বজুড়ে চীনের অর্থনৈতিক প্রভাব বৃদ্ধির কারণে আমেরিকার সাধারণ মানুষের মধ্যে যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে, তা সামাল দিতে ট্রাম্পের এখন শক্তিশালী কূটনৈতিক ভাবমূর্তির প্রয়োজন।

যদিও চীন নিজেও ঘরোয়া কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, তবুও তাদের শক্তিশালী বাণিজ্য ব্যবস্থার ওপর ভর করে বিশ্ব রাজনীতিতে বেজিং এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি সুবিধাজনক অবস্থায় রয়েছে। গত বছর ট্রাম্পের তরফ থেকে ১২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিপরীতে চীনও সমান কঠোর জবাব দিয়েছিল। বিশেষ করে আধুনিক প্রযুক্তি ও যুদ্ধবিমান তৈরিতে ব্যবহৃত প্রয়োজনীয় খনিজ প্রক্রিয়াজাতকরণে নিজেদের একক আধিপত্যকে কাজে লাগিয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে পিছু হটতে বাধ্য করেছিল তারা। ফলে ওয়াশিংটনের বিশেষজ্ঞ মহল এখন চীনকে আমেরিকার একদম সমকক্ষ বা নিকটতম পরাশক্তি হিসেবে গণ্য করছে।

দুই শীর্ষ নেতার এই হাই-প্রোফাইল বৈঠকের আগে দুই দেশই বাণিজ্য যুদ্ধ সাময়িক স্থগিত রাখার মেয়াদ আগামী বছরের শুরু পর্যন্ত বাড়াতে সম্মত হয়েছে। বুধ ও বৃহস্পতিবারের এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক থেকে নির্দিষ্ট কিছু খাতে শুল্ক কমানো, মাদক পাচার রোধে পারস্পরিক সহযোগিতা এবং সামরিক যোগাযোগ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে ইতিবাচক সিদ্ধান্ত আসতে পারে। এছাড়া চীনে আটক কয়েকজন মার্কিন নাগরিকের মুক্তি নিশ্চিত করার চেষ্টা করবেন ট্রাম্প। তবে বেজিংয়ের পক্ষ থেকে তাইওয়ান সংকট নিয়ে আলোচনার ওপর জোর দেওয়া হলেও ওয়াশিংটন বিষয়টি এড়িয়ে চলতে চায়। অন্যদিকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মার্কিন রপ্তানি নিয়ন্ত্রণের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোতে কোনো পক্ষই সহজে আপস করতে রাজি নয়।

সূত্র: এনডিটিভি


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর