রবিবার, ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:০২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যদের ৬৯ মেধাবী সন্তানকে বৃত্তি প্রদান কানাডার উৎসবে সেরা অভিনেত্রী তুষি, ‘রইদ’ পেল তিন পুরস্কার স্কুল কলেজ ফাঁকি দিয়ে আড্ডা, পুলিশের অভিযান, শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে মুক্তি পাউবোর বদলি-পদায়নে স্বচ্ছতাসহ ৫ দফা দাবি শুটিংয়ের সময় বরফ চিবিয়ে তৃষ্ণা মেটাতেন বিজয় এল‌ডি‌সি উত্তর‌ণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য : সারাহ কুক নির্বাচনে নারীদের অংশগ্রহণের রাজনৈতিক পরিবেশ নিশ্চিতে গুরুত্বারোপ ইসি সানাউল্লাহর যুক্তরাষ্ট্র-ইরান যুদ্ধ শেষ করার যে পথ দেখালো ইরান কুমিল্লায় গ্রেফতার ২৫ কিশোর টঙ্গীর শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে মুন্সীগঞ্জে ৩৫৭ মণ্ডপে হবে দুর্গাপূজা, সিসি ক্যামেরায় থাকবে নজরদারি
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

এল‌ডি‌সি উত্তর‌ণের পরও বাংলাদেশকে শুল্কমুক্ত সুবিধা দেবে যুক্তরাজ্য : সারাহ কুক

অনলাইন ডেস্ক: / ৩২ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
-সারাহ কুক

ঢাকায় নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক বলেছেন, স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) হিসেবে বর্তমানে বাংলাদেশকে ৯৯.৮ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত প্রবেশাধিকার দিচ্ছে যুক্তরাজ্য। এলডিসি থেকে উত্তরণের পরেও তিন বছর বাংলাদেশের জন্য এই সুবিধা অব্যাহত থাকবে। পরবর্তীতে তৈরি পোশাকসহ ৯২ শতাংশ পণ্যে শুল্কমুক্ত সুবিধা বজায় রাখা হবে।

রবিবার (৪ অক্টোবর) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁ হোটেলে বে অব বেঙ্গল কনভার্সেশনের এক সেশনে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

হাইকমিশনার বলেন, যুক্তরাজ্যের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক এখন উন্নয়ন সহযোগিতার গণ্ডি পেরিয়ে আধুনিক ও কৌশলগত অংশীদারত্বে পরিণত হয়েছে। যা বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান ভূমিকাকে প্রতিফলিত করে। আমাদের দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সম্পর্ক রয়েছে। যুক্তরাজ্য বাংলাদেশের অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগকারী দেশ। অর্থ খাত থেকে শুরু করে ফ্যাশন, শিক্ষা ও জ্বালানি—বিভিন্ন ক্ষেত্রে ব্রিটিশ কোম্পানিগুলো বাংলাদেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরে সহায়তা করেছে এবং প্রচুর কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ যখন এল‌ডি‌সি থেকে উত্তরণের প্রস্তুতি নিচ্ছে, তখন আমাদের মূল লক্ষ্য হলো-এই উত্তরণ প্রক্রিয়াকে মসৃণ ও টেকসই করে তোলা। আমাদের সহযোগিতার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হলো নিরাপত্তা অংশীদারিত্ব, যা পারস্পরিক আস্থা ও অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর ভিত্তি করে গড়ে উঠেছে। একটি অবাধ ও উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চল গড়ে তোলার ক্ষেত্রে আমাদের অভিন্ন স্বার্থ রয়েছে। ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বসম্পন্ন অঞ্চল হিসেবে বঙ্গোপসাগরে বাংলাদেশের যে দায়িত্ব ও ভূমিকা রয়েছে, তা আমরা স্বীকার করি।

রোহিঙ্গা সংকট প্রসঙ্গে সারাহ কুক বলেন, দশ লাখের বেশি রোহিঙ্গাকে আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের পাশে থাকবে যুক্তরাজ্য। রো‌হিঙ্গা সংকটের বিষয়ে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মনোযোগ বজায় রাখা এবং একমাত্র টেকসই সমাধানের লক্ষ্যে কাজ করে যাওয়ার বিষয়ে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আর সেই সমাধানটি হলো- পরিস্থিতি অনুকূল হলে রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছায়, নিরাপদে ও মর্যাদাপূর্ণভাবে মিয়ানমারে ফিরে যাওয়া।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর