সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ০১:৩৩ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মিরপুরে আজও সড়কে নামার চেষ্টা শ্রমিকদের, পুলিশের ধাওয়ায় কামারখন্দে অভাবের সংসারে থমকে আছে রূপার বিয়ে সীমান্তের ওপারের ইশারায় দেশকে অস্থিতিশীল করতে চাইছেন অনেকে:স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আবুধাবি থেকে আনা সোনার ডিম বিক্রি হয়নি, ফেরত নেওয়ার পথে জব্দ পূর্বাচলে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ফায়ার সার্ভিস ম্যারাথন, জার্সি ও মেডেল উন্মোচন সিরাজগঞ্জে ৬৫ চরমপন্থীর আত্মসমর্পণ, স্বাভাবিক জীবনে ফেরার প্রত্যয় বাসায় মাদক সেবন ও ডিজে পার্টির আয়োজনের অভিযোগে অতিরিক্ত ডিআইজি সাময়িক বরখাস্ত করতোয়ার পাড়ে বেদে বহর, জীবিকার তাগিদে যাযাবর জীবন মুক্তিযোদ্ধা মানিক পশারীর গার্ড অব অনার ও দাফনে বাধাদান : দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়ার দাবি এইচএসসি: সেনাবাহিনী পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর পাসের হার ৯৬.৫১ শতাংশ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

কামারখন্দে অভাবের সংসারে থমকে আছে রূপার বিয়ে

নিজস্ব প্রতিবেদক: / ৫৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
মেয়ের বিয়ের স্বপ্ন পূরণে সমাজের বিত্তবানদের সহযোগিতা চাইলেন মা সাজেদা।

সিরাজগঞ্জের কামারখন্দে অভাবের সংসারে থমকে আছে রূপার বিয়ে। বিয়ের সম্বন্ধও এসেছে একাধিকবার। কিন্তু পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে বারবার ভেঙে গেছে বিয়ের আলোচনা। এবারও কি অনিশ্চয়তায় পড়বে রূপার বিয়ে।

উপজেলা জামতৈল দক্ষিণ পাড়ার বাসিন্দা রূপার বাবা ইনশাফ আলী একজন ভ্যান চালাক। তবে আর দশজনের মতো ব্যাটারি চালিত অটো ভ্যান কেনার সাধ্যও নেই তার। ফলে পা-চালিত ভ্যান চালিয়ে প্রতিদিন আয় করেন মাত্র ৮০ থেকে ১০০ টাকা। অন্যদিকে রূপার মা সাজেদা অন্যের বাড়িতে কাজ করেন, কখনো করেন মাটি কাটার কাজ। স্বামী-স্ত্রীর এই সামান্য আয়ে চলে পাঁচ সদস্যের সংসার।

সংসারের অভাব এতটাই প্রকট যে তিন সন্তানের মুখে প্রতিদিন তিন বেলা খাবার জোটানোও কঠিন হয়ে পড়ে। নিত্যদিনের খাবারের ব্যবস্থা করতেই যেখানে হিমশিম খেতে হয়, সেখানে মেয়ের বিয়ের খরচ জোগাড় করা পরিবারের জন্য বড় দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

পরিবারের আর্থিক অসচ্ছলতার কারণে একাধিকবার বিয়ের সম্বন্ধ এসেও শেষ পর্যন্ত তা ভেঙে গেছে। মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তায় দিন কাটছে বাবা-মায়ের। অসহায় এই পরিবারের চাওয়া, সামর্থ্যবান ও মানবিক মানুষগুলো এগিয়ে এলে হয়তো রূপার বিয়ের স্বপ্ন পূরণ হতে পারে।

প্রতিবেশী সাবিনা নামে এক নারী বলেন, রুপার বাবা ঠিক মতো চোখে দেখে না, পা দিয়ে ভ্যান চালায় ওই ভ্যানে কোন মানুষ উঠতে চায় না। সারাদিন মাত্র ৫০ থেকে ১০০ টাকা ইনকাম করে। সাথে তার স্ত্রী অন্যর বাড়িতে কাজ করে যা আয় হয় তাই দিয়ে কোন মতে সংসার চলে। আমি সমাজের বিবেকবান মানুষের কাছে বলি সবাই এই পরিবারের পাশে দাঁড়ালে এই মেয়েটার বিয়ে হবে। টাকার জন্য বারবার বিয়ে ভেঙেছে আর যেন বিয়ে টা ভেঙে না যায়।মানবিক মানুষদের প্রতি আহ্বান, রূপার পরিবারের পাশে দাঁড়ান। আপনার সামান্য সহযোগিতাও হতে পারে একটি অসহায় পরিবারের দীর্ঘদিনের দুশ্চিন্তা দূর করার অবলম্বন।

রুপার মা সাজেদা বলেন,অর্থের অভাবে আমার মেয়ে রুপার বিয়ে বারবার ভেঙে যাচ্ছে। একজন মা হিসেবে মেয়ের ভবিষ্যৎ নিয়ে আমি সবসময় দুশ্চিন্তায় থাকি। মেয়ের বিয়ের আয়োজন করা আমার পক্ষে কঠিন হয়ে পড়েছে। সমাজের বিত্তবান, মানবিক ও হৃদয়বান মানুষ যদি আমাদের পাশে দাঁড়ান, তাহলে হয়তো আমার মেয়ের বিয়ের স্বপ্নটি পূরণ হবে। আমি সবার কাছে আকুল আবেদন জানাই, আপনারা একটু সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিন। আপনাদের সম্মিলিত সহযোগিতায় আমার মেয়ের মুখে হাসি ফুটতে পারে, পূরণ হতে পারে তার নতুন জীবনের স্বপ্ন।

রূপার চাচি নীলা বেগম বলেন,এর আগে ভালো ভালো সম্বন্ধ আসে,কিন্তু টাকার অভাবে বিয়ে হয় নাই। আমার দেওর প্রতিবন্ধী মানুষ, পা-ভ্যান চালিয়ে দিনে ৮০-১০০ টাকা রোজগার করে।এ টাকা দিয়ে এই যুগে সংসার চালানো কঠিন। এবার বিয়ে ঠিক হয়েছে,আল্লাহর ওয়াস্তে আপনারা এইবার সাহায্য সহযোগিতা করে মেয়েটির বিয়ের ব্যবস্থা করেন।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর