বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ০৭:৩২ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
কুড়িগ্রামে স্বতন্ত্র ইবতেদায়ী মাদ্রাসা জাতীয়করণের ঘোষণা দ্রুত বাস্তবায়নের দাবিতে মানববন্ধন সিরাজগঞ্জ টেক্সটাইল ইঞ্জিনিয়ারিং ইনস্টিটিউটে নানা আয়োজনে বাংলা নববর্ষ বরণ বর্ণাঢ্য আয়োজনে কাজিপুর সরকারি মনসুর আলী কলেজে পহেলা বৈশাখ উদযাপন কাজিপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বাংলা নববর্ষ পালিত পূবাইল সাংবাদিক ক্লাবে পান্তা-ইলিশ উৎসব গাজীপুরে জামিনে বের হয়ে মামলা তুলে নিতে বাদীর ওপর হামলার চেষ্টা পটুয়াখালীর মহিপুরে কোস্ট গার্ডের সাফল্য: ৬টি অবৈধ জালসহ বোট জব্দ আগামী বৈশাখ থেকে প্রতিটি জেলায় গ্রামীণ ক্রীড়া উৎসব: ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর ছেঁড়াদ্বীপ সংলগ্ন সমুদ্রে কোস্ট গার্ডের অভিযান, মাদকসহ ১০ চোরাকারবারি গ্রেফতার উল্লাপাড়ায় বর্ণাঢ্য আয়োজনে পহেলা বৈশাখ উদযাপন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বিশ্বমঞ্চে চলনবিলের সিধুলাই ভাসমান স্কুল পেল ইউনেস্কো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কার

পাবনা প্রতিনিধি: / ২৪১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শনিবার, ২৫ অক্টোবর, ২০২৫

মর্যাদাপূর্ণ “ইউনেস্কো কনফুসিয়াস সাক্ষরতা পুরস্কার ২০২৫” পেয়ে বিশ্বমঞ্চে অবস্থান করে নিল চলনবিলের সৌরচালিত সিধুলাই ভাসমান স্কুল। গত ২৭ সেপ্টেম্বর চীনে ২০তম পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে স্কুল-এর পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন সিধুলাই ভাসমান স্কুল এর প্রতিষ্ঠাতা প্রকৌশলী মোহাম্মদ রেজোয়ান। শিক্ষায় নতুন উদ্ভাবন ও জীবনব্যাপী শিক্ষার প্রসারে এটি বিশ্বের অন্যতম সর্বোচ্চ সম্মান, যা চীনা সরকারের পৃষ্ঠপোষকতায় দেওয়া হয়।

জানাযায়, বিশ্বজুড়ে শত শত মনোনয়নের মধ্যে ইউনেস্কো তিনটি উদ্যোগকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করেছে বাংলাদেশের সিধুলাই ভাসমান স্কুল, আয়ারল্যান্ডের লার্ন উইথ নালা ই-লার্নিং এবং মরক্কোর সেকেন্ড চান্স স্কুল অ্যান্ড ইনক্লুসিভ এডুকেশন প্রোগ্রাম।


রেজোয়ান তার প্রতিষ্ঠান সিধুলাই স্ব-নির্ভর সংস্থা-এর পক্ষে ট্রফি ও সনদ গ্রহণ করেন। ছোটবেলায় তিনি চলনবিল এলাকায় বড় হয়েছেন, যেখানে প্রতিবছর বন্যায় স্কুল বন্ধ হয়ে যেত। সেই অভিজ্ঞতা থেকেই ২০০২ সালে তিনি উদ্ভাবন করেন এক অনন্য সমাধান স্থানীয় নৌকাকে স্কুলে রূপান্তর, যা বিশ্বের সর্বপ্রথম ভাসমান স্কুল হিসাবে পরিচিত। আজও এসব সৌরচালিত নৌকা স্কুল, লাইব্রেরি ও প্রশিক্ষণ কেন্দ্র হিসেবে কাজ করছে, যা বর্ষায় পানি বেষ্টিত গ্রামগুলোতেও বছর জুড়ে শিক্ষা চালিয়ে যেতে সাহায্য করছে।

ইউনেস্কো এই উদ্যোগের প্রশংসা করে বলেছে, “বন্যাপ্রবণ অঞ্চলের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে স্থানীয়ভাবে তৈরি উদ্ভাবনী উপায়ে সাক্ষরতা শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াই এই ভাসমান স্কুলের সাফল্য।” সিধুলাইয়ের ভাসমান স্কুলের মডেল এখন বাংলাদেশের বিভিন্ন এনজিও অনুসরণ করছে এবং এটি এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার অনেক দেশকে একই ধরনের উদ্যোগ বাস্তবায়নে অনুপ্রাণিত করেছে। বাংলাদেশ সরকার রেজোয়ানের ভাসমান স্কুলকে জাতীয় অভিযোজন পরিকল্পনা ২০৫০-এ অন্তর্ভুক্ত করেছে।

রেজোয়ান বলেন, “শিক্ষা শুধু পড়া-লেখা নয়, এটি শান্তি, সমতা ও সহনশীলতা গড়ে তোলে। আমি আশা করি সাক্ষরতা ও জ্ঞানের শক্তি দিয়ে আমাদের তরুণরা এমন এক ভবিষ্যৎ তৈরি করবে, যেখানে কোনো দুর্যোগই কোনো শিশুর শিক্ষাকে থামাতে পারবে না।”


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর