সম্প্রতি ঢাকা ওয়াসার দুজন তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে ডিএমডির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে । জনাব মোঃ আজিজুল হক কে ডিএমডি আরপিএন্ডডি। যার অবস্থান সিনিয়রিটির তালিকায় ১৫তম । ঢাকা ওয়াসা তে ২০০০ ব্যাচের মোট আটজন ইঞ্জিনিয়ারের মধ্যে তার অবস্থান পঞ্চম। অথচ তিনি আওয়ামী সরকারের এবং তাকসিমের ঘনিষ্ঠ হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ আমলে অনৈতিক অনেক সুযোগ সুবিধা নিতে থাকেন।
ঐ ব্যাচে সবার আগে তিনি নির্বাহী প্রকৌশলী হতে তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীতে প্রমোশন পান । আওয়ামী সুবিধাবাদী ও তাকসিমের ঘনিষ্ঠ লোক হওয়ার কারণে তিনি সবসময় ডাবল পোস্টিং উপভোগ করেছেন । ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে তাকে ৮১৫০ কোটি টাকার ঢাকা এনভারমেন্টালি সাসটেইনেবল ওয়াটার সাপ্লাই প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক এর দায়িত্ব দেয়া হয়। ইহা অনুমোদনের জন্য মন্ত্রণালয় পাঠানো হলে ছাত্রদলের ছেলে হিসাবে তাকে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেওয়া হয় নাই ।
তখন তাকসিম বলতেন তিনি আগে ছাত্রদল করতেন বর্তমানে আওয়ামী লীগে যোগদান করেছেন। সুতরাং তাকে প্রকল্প পরিচালক হিসাবে নিয়োগ নেওয়ার দেওয়া যেতে পারে। পরবর্তীতে তাকে এই প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক সহ এক্সপান্ডেড ঢাকা ওয়াটার সাপ্লাই রেসিলিয়েন্স প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দেয়া হয় । আওয়ামীলীগ ও তাকসিমের প্রশংসায় তার সময় কাটত। ৫ ই আগস্ট এর পর তাকসিমকে ওয়াসা ভবনে ঢুকানোর জন্য প্রধান উদ্যোক্তা ছিলেন তিনি ।এজন্য দুটি জুম মিটিং আয়োজন করা হয় এবং তাকসিনকে সমস্ত নিরাপত্তা দেওয়া হবে বলে নিশ্চয়তা প্রদান করেন। পরবর্তীতে কর্মচারীদের বাধার মুখে তিনি তা পারেন নাই।
অপরজনের নাম হলো মির্জা গোলাম কিবরিয়া ২০০০ ব্যাচে তার অবস্থান ষষ্ঠ সিনিয়রিটির তালিকায় তার অবস্থান ১৬ তম। তাকে ডিএমডি ও এন্ড এম এর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মির্জা গোলাম কিবরিয়া বিগত ১৭ বছর ধরে আওয়ামী লীগের রাজনীতির সাথে ওতপোত ভাবে জড়িত। আওয়ামী লীগের সকল কর্মকান্ডে তিনি সবসময় অংশগ্রহণ করতেন । ৫ই আগস্ট এভর পর তিনি নিজে বিএনপির লোক হিসাবে পরিচয় প্রদানের জন্য চেষ্টা করে যাচ্ছেন।