রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ০৪:৪৪ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
মালয়েশিয়ার পথে প্রধানমন্ত্রী হরমুজ বন্ধ হলে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি চীনের, যুক্তরাষ্ট্রের নয়: বিশ্লেষক ২৩ জুনকে ঘিরে আইনশৃঙ্খলা বিঘ্ন করার চেষ্টাকারীরা ঝুঁকির মধ্যে পড়বে : র‌্যাব উল্লাপাড়ায় বস্তায় আদা চাষ প্রদর্শনীর মাঠ দিবস, চারা বিতারণ ও বৃক্ষ রোপন অনুষ্ঠিত জামায়াত আমিরের সঙ্গে সুইডেনের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ দক্ষিণী অভিনেত্রী সামান্থার মা হওয়ার গুঞ্জন দেশকে এভিয়েশন হাবে পরিণত করতে মহাপরিকল্পনা পূর্বশর্ত: বিমানমন্ত্রী ঘরে বসেই বিমান ওড়ানোর রোমাঞ্চ: গুগল আর্থ-এ যেভাবে খেলবেন ফ্লাইট সিমুলেটর দাম কমে দেশের বাজারে স্বর্ণের ভরি কত? পুলিশের গুলিতে আহত নয়নের চিকিৎসার দায়িত্ব নিলেন প্রধানমন্ত্রী
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

‘ম্যাচিউর’ ত্বক : শীতকালীন পরিচর্যার রুটিন

অনলাইন ডেস্ক / ১৫১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫

শীতকালের আবহাওয়া ‘ম্যাচিউর’ ত্বকে ভীষণ প্রভাব ফেলে। তাই দরকার সঠিক পরিচর্যা। তবে এর আগে জানতে হবে- কেন ম্যাচিউর ত্বক শীতকালে বেশি সংবেদনশীল হয়।

বয়সের কারণে ত্বকে কিছু পরিবর্তন হয়, যা এই চাপ সামলাতে সক্ষম নয়। কারণ, ত্বক পাতলা হয়ে যায়। ডা. শোকিন ব্যাখ্যা করে বলেন, ত্বকের বাইরের স্তর (এপিডার্মিস) পাতলা হয়ে যায়। ফলে ত্বক বেশি ভঙ্গুর হয়ে যায়। কোলাজেন এবং ইলাস্টিন উৎপাদনও কমে যায়, ফলে ত্বক ঝুলে পড়ে। বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ত্বকের তেল উৎপাদন কমে যায়, যা শুষ্কতার দিকে নিয়ে যায়। এমনকি ত্বকের নিজ থেকে সুস্থ হওয়ার ক্ষমতাও সময়ের সঙ্গে কমে যায়।

‘ম্যাচিউর’ ত্বক চেনার উপায়

১। বিশেষ করে চোখ, মুখ এবং কপালের চারপাশে বার্ধক্যের (পাতলা রেখা এবং বলিরেখা) প্রক্রিয়া দেখা দেয়।

২। ফার্মনেসের ক্ষতি হয়। সহজভাবে বললে, চোয়াল ও গালের চারপাশে বাধ্যক্যের ছাপ স্পষ্ট হয়।

৩। ত্বকের পাতলাতা অর্থাৎ রক্তনালিগুলো দৃশ্যমান করে তোলে এবং ক্ষতির প্রবণতা বাড়ায়।

৪। শুষ্কতা দেখা দেয়। ম্যাচিউর ত্বকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হলো- তেলের উৎপাদন কমে যাওয়া। ফলে ত্বকের টেক্সচার রুক্ষ দেখায়।

শীতকালীন পরিচর্যার রুটিন

১। পরিষ্কার ত্বক দিয়ে শুরু করুন। একটি কোমল, হাইড্রেটিং ক্লিনজার বেছে নিন, যেন ত্বকের প্রয়োজনীয় আর্দ্রতা নষ্ট না হয়।

২। এরপর টোনার ব্যবহার করুন। হাইড্রেটিং টোনার বা এসেন্স ত্বককে প্রস্তুত করে, আর্দ্রতা পূরণ করে এবং সক্রিয় উপাদানগুলো শোষণ করে।

৩। ত্বক প্রস্তুত হলে ত্বকের ধরন সিরাম খুঁজে নেওয়ার নিন। হায়ালুরোনিক অ্যাসিড সিরাম ত্বকে গভীর আর্দ্রতা এবং কোমলতা দেয়, পেপটাইড সিরাম কোলাজেন উৎপাদনকে সমর্থন করে এবং ত্বকের দৃঢ়তা বাড়ায়, অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট সিরাম (যেমন- ভিটামিন সি) ফ্রি র‌্যাডিক্যাল মোকাবিলা করে এবং ত্বক উজ্জ্বল করে, এবং রেটিনল সিরাম টেক্সচার উন্নত করে। বলিরেখা কমায়।

৪। ম্যাচিউর ত্বকের জন্য তৈরি পুষ্টিকর উপাদানযুক্ত ফর্মুলার ময়েশ্চারাইজার ব্যবহার করুন। যেমন- সেরামাইডস, হায়ালুরোনিক অ্যাসিড, পেপটাইডস বা ভেজিটাল স্টেম সেল। সিরামের উপকারিতা ধরে রাখা এবং ত্বকের আর্দ্রতা হারানো প্রতিরোধে বাধা দেয়।

৫। আরও বেশি আর্দ্রতার জন্য (বিশেষত শীতকালে) ময়েশ্চারাইজারের ওপরে হালকা ফেস অয়েল ব্যবহারের পরামর্শ দেন। রোজহিপ বা স্কোয়ালেনের মতো তেল সুরক্ষা স্তর তৈরি করে এবং কোমলতা বাড়ায়।

৬। দিনে এসপিএফযুক্ত সানস্ক্রিন ব্যবহার করুন, যা ইউভি রশ্মির ক্ষতি থেকে রক্ষা করবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর