সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলায় স্থানীয় জনগণের দোরগোড়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে একটি কমিউনিটি ক্লিনিকের নব নির্মিত ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে।
রোববার ১১ অক্টোবর কাজিপুর উপজেলার কাজিপুর সদর ইউনিয়নের পলাশপুর এলাকায় নবনির্মিত কমিউনিটি ক্লিনিকটির ফলক উন্মোচন করে শুভ উদ্বোধন করেন প্রধান অতিথি সিরাজগঞ্জ -১ কাজিপুর সাংসদ সেলিম রেজা।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার মোঃ রাসেল , কাজিপুর পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুস সালাম, সংশ্লিষ্ট ইউনিয়ন পরিষদের প্রতিনিধি, স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, স্বাস্থ্যকর্মী ও এলাকার বাসিন্দারা।
বক্তারা বলেন, কমিউনিটি ক্লিনিক গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র। এ ক্লিনিকের মাধ্যমে স্থানীয় বাসিন্দারা সহজে স্বাস্থ্য পরামর্শ, প্রয়োজনীয় প্রাথমিক চিকিৎসা, মা ও শিশুর স্বাস্থ্যসেবা এবং স্বাস্থ্যবিষয়ক বিভিন্ন পরামর্শ পাবেন। এতে এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণের সুযোগ আরও সম্প্রসারিত হবে।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এলাকায় কমিউনিটি ক্লিনিক চালু হওয়ায় প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা গ্রহণে তাদের সুবিধা হবে বলে তারা আশা করছেন।
এলাকাবাসীর পক্ষে বক্তব্য রাখেন মোঃ স্বপন মিয়া( শুকুর আলী)। তিনি বলেন, ২০০৭ সালে কমিউনিটি ক্লিনিকটি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার পর এর কার্যক্রম সাময়িকভাবে বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়দের সহায়তায় পলাশপুর গ্রামের আমির হোসেনের বাড়ির বারান্দায় কার্যক্রম পুনরায় শুরু করা হয়। সেখানে সেবা নিতে আসা এলাকাবাসী এবং সেবা প্রদানকারীদের ব্যাপক সমস্যা হয়।
এমতাবস্থায় গ্রামের পক্ষ থেকে পলাশপুর গ্রামের মোঃ স্বপন মিয়া ওরফে শুকুর আলী ও মেঘাই গ্রামের মোঃ তারা মেম্বার দুজন মিলে নিজেদের এবং এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় পলাশপুর গ্রামে ওয়াপদা বাঁধের সাইটে ২০ হাত দৈর্ঘ্যের একটি টিনের ঘর তৈরি করে ডোয়া মেঝে পাকা করা হয়। এই নতুন ঘরেই আজ আনুষ্ঠানিকভাবে কমিউনিটি ক্লিনিকের উদ্বোধন করা হলো।
এ সময় এলাকাবাসী ক্লিনিকের ছোট ছোট সমস্যার কথা তুলে ধরেন। মাননীয় সংসদ সদস্য স্বল্প সময়ের মধ্যে সমস্যাগুলো সমাধানের আশ্বাস দেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন কাজিপুর উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মনজুর রশিদ রানা, সাবেক যুবদলের সভাপতি সাজাদুর রহমান বাবলু, কাজিপুর ইউনিয়ন বিএনপি’র সভাপতি সুলেমান মেম্বার সহ বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মী এবং স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।