বুধবার, ০৪ নভেম্বর ২০২৬, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
তিন দিনের সফরে ঢাকায় চীনা কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলা: মিয়ানমারের বিরুদ্ধে ১৯ নভেম্বর রায় দেবে আন্তর্জাতিক আদালত যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম কৃষ্ণাঙ্গ নারী গভর্নর কেইশা ল্যান্স বোটমস আল্লাহর সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকা ঈমানের দাবি পরপর চারবার শ্রেষ্ঠ পুলিশ পরিদর্শক সিরাজগঞ্জ সদর থানার ওসি রায়গঞ্জে সরকারি খাসজমিতে মাটি ফেলল নাহার অ্যাগ্রো, বিপাকে এক মুক্তিযোদ্ধা তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টার গ্রেফতার ৭৫ মোহাম্মদপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান, বিভিন্ন অপরাধে গ্রেফতার ২৬ রাজনৈতিক স্বার্থে পোশাকশিল্পে অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মিরপুরে শ্রমিক আন্দোলন: বিক্ষোভকারীদের হামলায় আহত পুলিশ সদস্য
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

ভোর ৫টা না সকাল ৭টা? স্নায়ুতন্ত্র সুস্থ রাখতে কখন ঘুম থেকে উঠবেন?

অনলাইন ডেস্ক: / ২৩১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : শুক্রবার, ২১ নভেম্বর, ২০২৫

সকালে ঘুম থেকে ওঠার উপকারিতা নিয়ে চিকিৎসকেরা বহু দিন ধরেই পরামর্শ দিয়ে আসছেন। মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার জন্য ভোরে ওঠা উপকারী বলেই মত তাদের। তবে প্রশ্ন হচ্ছে—ভোর ৫টায় ঘুম থেকে ওঠা, নাকি সকাল ৭টায়? কোন সময়টি স্নায়ুতন্ত্রের জন্য বেশি ভালো?

ভোর ৫টায়

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীরের স্নায়ুতন্ত্র দৈনন্দিন অভ্যাসের সঙ্গে নিজেকে মানিয়ে নেয়। ফলে নিয়মিত ভোর ৫টায় ওঠা শুরু করলে কয়েক দিনের মধ্যেই অ্যালার্ম ছাড়াই ঘুম ভেঙে যাবে। ভোরে পরিবেশ তুলনামূলক শান্ত থাকে, তন্দ্রাভাবও বেশি থাকে, যার কারণে ঘুম ভাঙা সহজ হয়। এতে মন ও মস্তিষ্কে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে, শরীর থাকে হালকা–ফুরফুরে। মানসিক স্বাস্থ্যের জন্যও ভোরে ওঠা উপকারী।

সকাল ৭টায়

সকাল ৭টার দিকে চারপাশে শব্দ ও কোলাহল বাড়তে থাকে। রাতে দেরি করে ঘুমোনোর কারণে অনেকে এ সময়েই ঘুম থেকে ওঠেন। তবে দেরিতে ওঠার ফলে আশপাশের শব্দ স্নায়ুতন্ত্রে বাড়তি চাপ তৈরি করতে পারে। দিনের কাজের ব্যস্ততাও তখনই শুরু হয়, যা কারও কারও জন্য মানসিক চাপ বাড়াতে পারে।

চিকিৎসকদের মতে, শুধু ঘুম ভাঙার সময় নয়, মোট ঘুমের সময়টাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। নিয়মিত যদি ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম নিশ্চিত করা যায়, তাহলে দেরিতে ঘুমিয়ে দেরিতে ওঠাও সমস্যার সৃষ্টি করে না। অর্থাৎ কারও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা যদি সকাল ৭টায় ঘুম থেকে ওঠার সঙ্গে মানানসই হয়, এবং পর্যাপ্ত ঘুম হয়, তবে এতে স্নায়ুতন্ত্রের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ার কথা নয়।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর