শনিবার, ১৪ মার্চ ২০২৬, ০১:৩৮ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
বান্দরবানে গিরিছায়া গার্ডেন রিসোর্টের সংস্কার ও আধুনিকায়ন উদ্বোধন একুশে বইমেলায় ফায়ার সার্ভিসের লিফলেট বিতরণ, আইনমন্ত্রী ও শিল্পীর প্রশংসা কূর্মিটোলা ক্যাম্পে বিশুদ্ধ পানির কল উদ্বোধন করলেন আমিনুল হক বিজিবিতে আযান ও ক্বেরাত প্রতিযোগিতায় বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ তেজগাঁও বিভাগের ছয় থানা এলাকায় অপরাধ দমনে সাঁড়াশি অভিযান, গ্রেফতার ৫৭ ভারতের শীর্ষ ধনীর তালিকায় শাহরুখ খান কক্সবাজারে ১১ কোটি টাকার ইয়াবা উদ্ধার মির্জা আব্বাসের মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার সম্পন্ন ইরান যুদ্ধের এই কয়দিনেই কয়েক বছরের সমরাস্ত্র শেষ করেছে যুক্তরাষ্ট্র: রিপোর্ট নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে ২৭৪ রানে পাকিস্তানকে আটকে দিল বাংলাদেশ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

সিরাজগঞ্জে পুলিশ প্রতিবেদনে সাক্ষীর বয়ান, সাক্ষী জানে না পুলিশ তার বয়ান দিয়েছে

বেলকুচি (সিরাজগঞ্জ)প্রতিনিধি: / ১৩৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর, ২০২৫


সিরাজগঞ্জের বেলকুচিতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এক সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে মামলায় ভিভ্রান্তিকর প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করার অভিযোগ উঠেছে শামচুল নামের এক পুলিশ উপপরিদর্শকেট বিরুদ্ধে। ওই প্রতিবেদনে বর্ণিত সাক্ষীর বক্তব্য সম্পূর্ণ অসত্য বলে দাবী মামলায় দেওয়া প্রধান সাক্ষীর।

মামলার প্রধান সাক্ষী আল আমিন জানান, আমি এই মামলার সাক্ষী হই নাই। বাদীনীর সাথে আমার রক্তের কোন সম্পর্ক নাই। ওখানে আমি দেখলাম মামলার বাদী চম্পা খাতুন আমার বোন বলা হয়েছে। তার মা আমার মা নয়। সে আমার প্রতিবেশী। আর আমি পুলিশের কাছে কোন বয়ান দেই নাই। পুলিশের এস আই শামচুল আদালতে আমার মিথ্যা বয়ান দিয়েছে। প্রকৃতপক্ষে আমি জানতে পারছি পারিবারিক ভূল বোঝাবুঝি থেকে মামলা করেছে। আল আমিন আরও জানান,পুলিশের তদন্ত প্রতিবেদনে যা তথ্য দেওয়া হয়েছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।

এদিকে ভুক্তভোগী সংবাদকর্মী জানান,নয় মাস যাবৎ মিথ্যা মামলায় আমি সহ আমার পরিবারের তিন সদস্য আসামি হয়ে আদালতে হাজিরা দিয়ে আসছি৷ পুলিশ জনগণের বন্ধু আর সেই পুলিশই এভাবে সংবাদকর্মীকে ফাঁসিয়েছে। তাহলে সাধারণ মানুষের উপায় কি। আমি চিন্তাই করতে পারি না।

আমাদের বিরুদ্ধে বাদী মিথ্যা অভিযোগ করেছে।
এর পিছনে একটাই কারন বাদীনি বিয়ে হওয়ার পরও বিভিন্ন অনৈতিক কর্মকান্ডের সাথে জড়িত ছিল। এটি আমার জানা ছিল। আমাকে সামাজিক ও পারিবারিক ভাবে হেয় করতে মিথ্যা মামলা দেবারও হুমকি দিয়ে আসছিল। তাই করছে। আর তাকে মিথ্যা মামলা করতে সহযোগিতা করতে পুলিশের উপপরিদর্শক শামচুল। তিনি আমার কাছে মামলার প্রতিবেদনের জন্য সরাসরি মোটা অংকের টাকা দাবী করেছিলেন। এতে আমি রাজি না হওয়ায় মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছেন।

এদিকে ওই সংবাদকর্মীর বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করার পর বাদী চম্পা খাতুন পরিবার নিয়ে লাপাত্তা হওয়ায় তার কোন বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

আর সাক্ষীর মিথ্যা তদন্ত প্রতিবেদনের ব্যাপারে পুলিশ উপপরিদর্শক শামচুলের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি এই বিষয়ে কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর