সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জ উপজেলায় তিন ফসলি আবাদি জমি থেকে অবৈধভাবে মাটি কাটা ও পুকুর খননের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মাটি কাটা বন্ধসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, উপজেলার চান্দাইকোনা ইউনিয়নের মোজাফফরপুর ( মজুপুর) মৌজার উত্তরপাড়া এমআর দাখিল মাদ্রাসা সংলগ্ন সরকারি পাকা সড়কের পাশের তিন ফসলি জমি থেকে প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই মাটি কেটে বিক্রি করা হচ্ছে। একই সঙ্গে সেখানে পুকুর খননের কাজও চলছে। এতে আশপাশের আবাদি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি সরকারি সড়ক ঝুঁকির মুখে পড়েছে। এছাড়া পার্শ্ববর্তী বসতবাড়ি ভেঙে পড়ার আশঙ্কাও দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী মো. শামীম আহম্মেদ বলেন, “অবৈধভাবে মাটি কাটার কার্যক্রম চলতে থাকলে সরকারি সড়ক মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়বে। একই সঙ্গে আমার বসতভিটা ও ফসলি জমিও ঝুঁকির মধ্যে পড়বে। এতে পরিবার আর্থিক ক্ষতির সম্মুখীন হওয়ার পাশাপাশি রাষ্ট্রও একটি তিন ফসলি আবাদি জমি হারাবে।
আবেদনে প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে মো. আব্দুস ছালাম খান সোহেল, মো. বাবু খোন্দকার ও মো. বাদশা সেখের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে দ্রুত তদন্ত করে অবৈধ মাটি কাটা বন্ধে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন আবেদনকারী। আবেদনপত্রের অনুলিপি জেলা প্রশাসক, রায়গঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এবং উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার কাছেও পাঠানো হয়েছে।
এ বিষয়ে রায়গঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুল খালেক পাটোয়ারী বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।