মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ ২০২৬, ০৮:০৯ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মদিন আজ

অনলাইন ডেস্ক: / ১১ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ, ২০২৬

গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ার নিভৃত পল্লিতে জন্ম নেওয়া এক শিশু থেকে বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা হয়ে ওঠার কারিগর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৬তম জন্মদিন আজ।


১৯২০ সালের ১৭ মার্চ শেখ লুৎফর রহমান এবং সায়েরা খাতুনের ঘর আলো করে জন্ম নেন স্বাধীন বাংলাদেশের এই স্থপতি। কৈশোর থেকেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আপসহীন এই নেতা ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন থেকে শুরু করে বাঙালির স্বাধিকার আন্দোলনের প্রতিটি ধাপে নেতৃত্ব দিয়েছেন।


রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয়েছিল ব্রিটিশ শাসনামলেই। গোপালগঞ্জ মিশন স্কুলে পড়ার সময় প্রতিবাদী চেতনার কারণে প্রথমবারের মতো কারাবরণ করতে হয় তাকে। পরবর্তীতে কলকাতার ইসলামিয়া কলেজে পড়ার সময় হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী ও আবুল হাশিমের মতো প্রখ্যাত নেতাদের সান্নিধ্যে এসে ছাত্র রাজনীতিতে অপরিহার্য হয়ে ওঠেন তিনি। ১৯৪৬ সালে এই কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হওয়া এবং ১৯৪৮ সালে পূর্ব পাকিস্তান মুসলিম ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা ছিল তার রাজনৈতিক জীবনের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক।

১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা, ঊনসত্তরের গণঅভ্যুত্থান এবং সত্তরের নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় বঙ্গবন্ধুকে বাঙালির একমাত্র মুখপাত্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ রেসকোর্স ময়দানে তার কালজয়ী ভাষণ স্বাধীনতার মন্ত্রে উজ্জীবিত করে পুরো জাতিকে। ২৫ মার্চ রাতে পাকিস্তানি বাহিনীর হাতে গ্রেফতার হওয়ার আগে তিনি স্বাধীনতার ঘোষণা দেন। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের পর ১৬ ডিসেম্বর যখন বিজয় অর্জিত হয়, তখনো তিনি পাকিস্তানের কারাগারে বন্দি ছিলেন।

স্বাধীনতার পর ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন করে যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ গড়ার কঠিন সংগ্রামে লিপ্ত হন বঙ্গবন্ধু। তবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে নিহত হওয়ার মাধ্যমে তার সেই স্বপ্নযাত্রা থমকে যায়। বাঙালির অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি মোট ৪ হাজার ৬৮২ দিন কারাগারে কাটিয়েছেন। পাকিস্তান আমলের ২৪ বছরের মধ্যে প্রায় ১৩ বছরই তাকে বন্দি জীবন কাটাতে হয়েছে, যার মধ্যে আটটি জন্মদিন কেটেছে নিঃসঙ্গ কারাপ্রকোষ্ঠে।

বঙ্গবন্ধু ব্যক্তিগত জীবনে জন্মদিন পালনে আড়ম্বর পছন্দ করতেন না। অত্যন্ত সাদামাটাভাবে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘরোয়া পরিবেশে দিনটি কাটাতেন তিনি। রাজনৈতিক সহযোদ্ধা ও নেতাকর্মীরাই মূলত বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে দিনটি উদযাপন করতেন। আজ নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে কৃতজ্ঞ জাতি তাদের এই শ্রেষ্ঠ সন্তানকে স্মরণ করছে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর