রবিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩৬ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
ফ্যাসিস্ট সরকারের আমলে নেওয়া প্রকল্পগুলোর অনিয়ম-দুর্নীতি তদন্তের সুপারিশ জনগণের প্রতিটি পয়সা দেশের স্বার্থে ব্যয় করতে হবে: প্রধানমন্ত্রী নেত্রকোনায় বিদ্যুৎস্পৃষ্টে দুই শিশুর মৃত্যু খুলনার সেই সাইফুলকে দেখতে হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. বিটু কন্যাশিশুর শিক্ষা-নিরাপত্তা নিশ্চিতে সরকার কর্মপরিকল্পনা নিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে এবিজি ইউনিভার্সিটি কাপ ঘিরে সমর্থকদের ভোটের লড়াই, চলছে ‘ফ্যান কাপ ভোটিং ডেঙ্গু প্রতিরোধে ব্যাংকগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা বাংলাদেশ ব্যাংকের তেজগাঁও বিভাগে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযানে ২৪ ঘণ্টার ৬০ আসামি গ্রেফতার রিয়াদে হুতিদের হামলা: বিমানের স্থগিত ফ্লাইটের বিষয়ে সিদ্ধান্ত সোমবার কাজিপুরে কমিউনিটি ক্লিনিকের নবনির্মিত ভবনের  উদ্বোধন
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

মানিকগঞ্জে বেগুন চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : / ১৭৬ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

সবজি চাষের জন্য মানিকগঞ্জ বরাবরই পরিচিত। জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই সবজি আবাদ হয়, তবে সিংগাইর ও সাটুরিয়া সবজি চাষে সবচেয়ে বেশি উন্নত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এবার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী এলাকায় বেগুনের আবাদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ভালো দাম পাওয়ায় দিনদিন বেগুন চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

জেলায় এ মৌসুমে ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ হয়েছে। অধিক উৎপাদন ও বাজারে স্থিতিশীল দামের কারণে প্রতিবছরই এই আবাদ বাড়ছে। তিল্লী এলাকার কৃষক সিদ্দিকুর রহমান জানান, এক বিঘায় উৎপাদন খরচ হচ্ছে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা। দাম এভাবে থাকলে বিঘায় এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

তিনি আরও বলেন, এ এলাকার জমি কখনোই পতিত থাকে না। অনেক জমিতে ধনেপাতা, করল্লার আবাদও হয়েছে। উৎপাদিত বেগুন সদর উপজেলার ভাটবাউর ও জাগীর আড়তে বিক্রি করা হয়। প্রতিমণ বেগুন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৮ শ থেকে ২ হাজার টাকায়। নারী–পুরুষসহ শ্রমিকরা মিলেমিশে জমিতে কাজ করে থাকেন।

আড়ৎদার বদর উদ্দিন বলেন, ভালো দামের কারণে শীতকালীন প্রায় সব ধরনের সবজি মানিকগঞ্জে আগাম চাষ করা হচ্ছে। মানিকগঞ্জে সাধারণত লম্বা ও গোল—দুই জাতের বেগুনই বেশি চাষ হয়। দেখতে সুন্দর ও স্বাদে ভালো হওয়ায় এখানকার বেগুনের চাহিদা সবসময়ই বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, শাহজাহান সিরাজ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা পরামর্শ মেনে পরিচর্যা করায় পোকামাকড়ের আক্রমণও হয়নি। জেলায় এবার ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন আবাদ হয়েছে। দাম এমন থাকলে আগামীতে বেগুনের আবাদ আরও বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর