মঙ্গলবার, ২৬ মে ২০২৬, ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন
সর্বশেষ
কবি নজরুলকে চিনলে ও তার কবিতা পড়লে আদর্শ নাগরিক হওয়া সম্ভব-টুকু সিংড়ায় ঈদুল আজহা উপলক্ষে এম.এ সামাদের পক্ষ থেকে ১ হাজার পরিবার পেল ঈদ সামগ্রী ঈদযাত্রায় নদীপথের নিরাপত্তায় নৌ পুলিশের বিশেষ নজরদারি টেকনাফের শাহপরী থেকে ১৫ হাজার পিস ইয়াবা জব্দ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের পরিচয় ব্যবহার করে প্রতারণা, সেনাবাহিনীর চাকরিচ্যুত সদস্যসহ গ্রেফতার ২ তেজগাঁও বিভাগে ২৪ ঘণ্টায় অপরাধ দমনে অভিযান,গ্রেফতার ৫১ ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দৃষ্টি প্রতিবন্ধী সেই সংগীতশিল্পী পরিবারকে অর্থ সহায়তা দিলেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী শেরপুরে প্রায় ৬ ফুট লম্বা বিষধর পদ্ম গোখরা উদ্ধার, পরে অবমুক্ত শেরপুরে দ্রুতগতির পিকআপের ধাক্কায় বৃদ্ধ নিহত মঠবাড়িয়ায় এক দিনে দুজনকে কুপিয়ে হত্যা
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

মানিকগঞ্জে বেগুন চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : / ১২৩ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

সবজি চাষের জন্য মানিকগঞ্জ বরাবরই পরিচিত। জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই সবজি আবাদ হয়, তবে সিংগাইর ও সাটুরিয়া সবজি চাষে সবচেয়ে বেশি উন্নত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এবার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী এলাকায় বেগুনের আবাদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ভালো দাম পাওয়ায় দিনদিন বেগুন চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

জেলায় এ মৌসুমে ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ হয়েছে। অধিক উৎপাদন ও বাজারে স্থিতিশীল দামের কারণে প্রতিবছরই এই আবাদ বাড়ছে। তিল্লী এলাকার কৃষক সিদ্দিকুর রহমান জানান, এক বিঘায় উৎপাদন খরচ হচ্ছে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা। দাম এভাবে থাকলে বিঘায় এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

তিনি আরও বলেন, এ এলাকার জমি কখনোই পতিত থাকে না। অনেক জমিতে ধনেপাতা, করল্লার আবাদও হয়েছে। উৎপাদিত বেগুন সদর উপজেলার ভাটবাউর ও জাগীর আড়তে বিক্রি করা হয়। প্রতিমণ বেগুন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৮ শ থেকে ২ হাজার টাকায়। নারী–পুরুষসহ শ্রমিকরা মিলেমিশে জমিতে কাজ করে থাকেন।

আড়ৎদার বদর উদ্দিন বলেন, ভালো দামের কারণে শীতকালীন প্রায় সব ধরনের সবজি মানিকগঞ্জে আগাম চাষ করা হচ্ছে। মানিকগঞ্জে সাধারণত লম্বা ও গোল—দুই জাতের বেগুনই বেশি চাষ হয়। দেখতে সুন্দর ও স্বাদে ভালো হওয়ায় এখানকার বেগুনের চাহিদা সবসময়ই বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, শাহজাহান সিরাজ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা পরামর্শ মেনে পরিচর্যা করায় পোকামাকড়ের আক্রমণও হয়নি। জেলায় এবার ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন আবাদ হয়েছে। দাম এমন থাকলে আগামীতে বেগুনের আবাদ আরও বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর