রবিবার, ২৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭ অপরাহ্ন
সর্বশেষ
যুদ্ধবিরতির সময়ে বিমান প্রতিরক্ষা শক্তিশালী করেছে ইরান: সেনাবাহিনীর মুখপাত্র এবার বিয়ের আসরেও ‘ভাইকিং রো’তে মাতালেন হালান্ড পুঁজিবাজারে সূচকের পতন জাতীয় পার্টির আয় ২.৬৬ কোটি, খরচ ১.৮৮ কোটি বাংলাদেশ ব্যাংক ও মুদ্রানীতি নিয়ে সংসদীয় স্থায়ী কমিটির প্রথম বৈঠক নারীর রাজনৈতিক ক্ষমতায়নে কাজ করছে সরকার : ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ইয়ামিন হত্যা মামলায় ১৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিলেন ট্রাইব্যুনাল কাজিপুরে সহিংসতা প্রতিরোধে কমিউনিটি পর্যায়ে সচেতনতামূলক সভা জয়পুরহাট প্রেসক্লাব নির্বাচনে সভাপতি আবু বক্কর-সম্পাদক শামীম কাদির রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের র‍্যালি ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত
নোটিশ:
তথ্য ও প্রচার মন্ত্রণালয় নিবন্ধনকৃত অনলাইন নিউজ পোর্টাল দ্য পিপলস্ নিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকে সারা দেশে জেলা প্রতিনিধি নিয়োগ করা হবে। মোবাইল: ০১৭১১-১১৬২৫৭, ০১৭১২-৪০৭২৮২ ' ই-মেইল : thepeopelesnews24@gmail.com

মানিকগঞ্জে বেগুন চাষে কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে

মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি : / ১৪৪ বার দেখা হয়েছে
আপডেট : সোমবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২৫

সবজি চাষের জন্য মানিকগঞ্জ বরাবরই পরিচিত। জেলার প্রায় সব উপজেলাতেই সবজি আবাদ হয়, তবে সিংগাইর ও সাটুরিয়া সবজি চাষে সবচেয়ে বেশি উন্নত এলাকা হিসেবে পরিচিত। এবার সাটুরিয়া উপজেলার তিল্লী এলাকায় বেগুনের আবাদ বেড়েছে উল্লেখযোগ্যভাবে। ভালো দাম পাওয়ায় দিনদিন বেগুন চাষের প্রতি কৃষকদের আগ্রহ বাড়ছে।

জেলায় এ মৌসুমে ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন চাষ হয়েছে। অধিক উৎপাদন ও বাজারে স্থিতিশীল দামের কারণে প্রতিবছরই এই আবাদ বাড়ছে। তিল্লী এলাকার কৃষক সিদ্দিকুর রহমান জানান, এক বিঘায় উৎপাদন খরচ হচ্ছে প্রায় চল্লিশ হাজার টাকা। দাম এভাবে থাকলে বিঘায় এক লক্ষ থেকে দেড় লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হতে পারে বলে তাঁর ধারণা।

তিনি আরও বলেন, এ এলাকার জমি কখনোই পতিত থাকে না। অনেক জমিতে ধনেপাতা, করল্লার আবাদও হয়েছে। উৎপাদিত বেগুন সদর উপজেলার ভাটবাউর ও জাগীর আড়তে বিক্রি করা হয়। প্রতিমণ বেগুন পাইকারি বিক্রি হচ্ছে ১৮ শ থেকে ২ হাজার টাকায়। নারী–পুরুষসহ শ্রমিকরা মিলেমিশে জমিতে কাজ করে থাকেন।

আড়ৎদার বদর উদ্দিন বলেন, ভালো দামের কারণে শীতকালীন প্রায় সব ধরনের সবজি মানিকগঞ্জে আগাম চাষ করা হচ্ছে। মানিকগঞ্জে সাধারণত লম্বা ও গোল—দুই জাতের বেগুনই বেশি চাষ হয়। দেখতে সুন্দর ও স্বাদে ভালো হওয়ায় এখানকার বেগুনের চাহিদা সবসময়ই বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক, শাহজাহান সিরাজ জানান, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় ফলন ভালো হয়েছে। কৃষকরা পরামর্শ মেনে পরিচর্যা করায় পোকামাকড়ের আক্রমণও হয়নি। জেলায় এবার ১ হাজার ২০৪ হেক্টর জমিতে বেগুন আবাদ হয়েছে। দাম এমন থাকলে আগামীতে বেগুনের আবাদ আরও বাড়বে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই বিভাগের আরও খবর