সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের নির্বাচনসহ কমিটির সকল কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। বুধবার (৭ অক্টোবর) সকালে সদর সিভিল জজ আদালতের বিচারক সিনিয়র সহকারী জজ মো. জাকির হোসেন এ আদেশ দেন। মামলার বাদী সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের সদস্য সাংবাদিক আব্দুস সামাদ সায়েম এ তথ্য জানান।
মামলা সুত্রে জানা যায়, ২০২৪ সালের ৫ আগষ্টের পর সিরাজগঞ্জ প্রেসক্লাবের আজীবন বহিস্কৃত সদস্য শরিফুল ইসলাম ইন্না তালা ভেঙ্গে প্রেসক্লাব দখল করেন। এরপর নিজে আহবায়ক হয়ে ৩ সদস্য বিশিষ্ট আহবায়ক কমিটি গঠন করেন। এর কিছুদিন পর ২০২৪ সালের ১৯ সেপ্টেম্বর প্রেসক্লাবের ২১ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়। যেখানে ইন্না সাধারন সম্পাদকের পদে ছিলেন। এই কমিটি কয়েক দফায় অবৈধভাবে ৭৮জন সদস্য অন্তভর্’ূক্ত করেন। এ অবস্থায় পুনরায় অবৈধভাবে কমিটি গঠনের জন্য ২০২৬ সালের ২৬ আগস্ট প্রেসক্লাবে সাধারন সভা আহবান করা হয়। এ নিয়ে প্রেসক্লাবের সদস্যদের মধ্যে চরম উত্তেজনাকর পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। এরপর প্রশাসনের হস্তক্ষেপে প্রেসক্লাবের সভাপতি হারুন অর রশিদ খান হাসান সাধারন সভা স্থগিত ঘোষনা করেন। এ অবস্থায় প্রেসক্লাবে চরম দ্বন্ধ ও সংঘাত দেখা দেয়ার শঙ্কায় প্রেসক্লাবের সদস্য আব্দুস সামাদ সায়েম বাদী হয়ে মামলা দায়ের করেন। মামলার শুনানী শেষে নির্বাচনসহ প্রেসক্লাবের অবৈধ কমিটির সকল কার্যক্রম স্থগিত ঘোষনা করেছে আদালত।
মামলার বাদী সাংবাদিক আব্দুস সামাদ সায়েম বলেন, অচলাবস্থার কারনে বর্তমান প্রেসক্লাবের নির্বাচনসহ কমিটির সকল কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারির পাশাপাশি অবৈধভাবে ভর্তি করা সদস্যদের বিষয়ে তদন্তপূর্বক বাতিলের সিদ্বান্ত গ্রহন এবং প্রশাসন বা গুরুত্বপুর্ন ব্যক্তিদের দিয়ে আহবায়ক কমিটি গঠনের মাধ্যমে পরবর্তি নির্বাচনে আয়োজনের জন্য মামলার এজাহারে দাবী করা হয়েছে। আদালত শুনানী শেষে প্রেসক্লাবের নির্বাচনসহ কমিটির সকল কার্যক্রমে নিষেধাজ্ঞা জারির আদেশ দিয়েছেন। ১০দিন পর মামলার পরিবর্তি শুনানী অনুষ্ঠিত হবে।